ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষকের চাহিদাই অগ্রাধিকার ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বাবার বিষে ৩ সন্তানের মৃত্যু স্ত্রী সৌদি পারি দেবার তিনদিনের মাথায় তিনশিশুসহ বিষয় পান করেন বাবা দরিদ্র পরিবারের শিশুরা এখনও শিক্ষায় সমান সুযোগ পাচ্ছে না: ড. নাজনীন আহমেদ রাজশাহীর বাঘা সীমান্তে বিএসএফ’র হাতে আটককৃত ৫ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অর্থ কোনোভাবেই স্বেচ্ছাচারিতা নয়: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ২৮-এ ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জ্বালানি আমদানি কমাতে সৌরবিদ্যুতের বড় উত্থান ভারতে পলাতক আসামিদের নিয়ে দিল্লিকে ঢাকার কড়া বার্তা নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা সুরের মায়ায় সুজাতা সোম রাগসংগীত থেকে লোকগান, শৈশবের আসর পেরিয়ে সংগীত শিক্ষার বিস্তৃত ভুবনে

বাবার বিষে ৩ সন্তানের মৃত্যু স্ত্রী সৌদি পারি দেবার তিনদিনের মাথায় তিনশিশুসহ বিষয় পান করেন বাবা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী সৌদি পারি দেবার তিনদিনের মাথায় তিনশিশুসহ বিষয় পান করেন বাবা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তিনসন্তান ও স্বামী রেখে সৌদী আরবে পারি জমান ফাতেমা। এর তিনদিনের মাথায় শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে তিন সন্তানসহ নিজে কিটনাশকপান করেন সরফত আলী। মুমুর্ষু অবস্থায় ময়মনসিংহে থাকা ফুফুকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে কোন দাবি না রাখার জন্য বলেন।

ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন। কিন্তু ততক্ষণে তিনসন্তান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আর সরফত আলীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনী লাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময়ে ওই ব্যক্তি তার তিন শিশু সন্তানকে বিষপ্রয়োগ করেন এবং পরে নিজেও বিষপান করেন।

সকালে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ঘটনাটি জানতে পেরে চারজনকেই দ্রুত উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক শিশুদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত জানান, ভোরে খবর পেয়ে পুলিশ ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে পৌঁছে তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

গুরুতর অসুস্থ বাবাকে স্বজনরা চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। নিহত শিশুদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :