ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর বাসে উঠে সন্দেহ কিছু দূর যেতেই বুকে ছুরি চাওয়া হয় ৫ লাখ টাকা ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পরই বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা ভারতের আদানির!

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএসজিএ) অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সফর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন ভিশন, অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পথচলার রূপরেখা তুলে ধরবেন। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের আরও কার্যকর ভূমিকার বিষয়গুলো তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রাথমিক ও প্রধান উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া এবং সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া।

তবে জাতিসংঘ অধিবেশনের সময় বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাইডলাইন বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখন কোথায় যাবেন এবং কার কার সঙ্গে বৈঠক করবেন, এসব বিষয়ে সরকার যথাসময়ে বিস্তারিত জানাবে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিষয় গোপন রাখার নীতি নেই বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ভারতের সঙ্গে নতুন ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহের কথাও তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখন যাবেন, যাদের সঙ্গেই দেখা বা বৈঠক হবে সবকিছুই জানানো হবে।

দ্বিপক্ষীয়ভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের আগ্রহ বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। দিল্লির সঙ্গে ঢাকা নতুন কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন ক‌বির বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেসামরিক মানুষ হত‍্যা ও তাদের নিরাপত্তা কূটনৈতিক চ্যানেলেই আলোচনা চলছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা, সহযোগিতা ও জনগণের কল্যাণকে সামনে রেখে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যাশা রয়েছে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেসামরিক মানুষ হত্যার বিষয়টিও সরকারের নজরে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সীমান্তে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধের বিষয়টি কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে আলোচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট সীমান্তে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফর শুধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক ভিশনকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

একটি আত্মবিশ্বাসী, উন্নয়নমুখী ও ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ এই বার্তাই বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যাশা নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পথে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশের স্বার্থ, জনগণের প্রত্যাশা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর বৈদেশিক সম্পর্ক, এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সফর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:১৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (ইউএসজিএ) অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সফর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন ভিশন, অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পথচলার রূপরেখা তুলে ধরবেন। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আঞ্চলিক সহযোগিতা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের আরও কার্যকর ভূমিকার বিষয়গুলো তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রাথমিক ও প্রধান উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া এবং সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া।

তবে জাতিসংঘ অধিবেশনের সময় বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাইডলাইন বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখন কোথায় যাবেন এবং কার কার সঙ্গে বৈঠক করবেন, এসব বিষয়ে সরকার যথাসময়ে বিস্তারিত জানাবে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিষয় গোপন রাখার নীতি নেই বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ভারতের সঙ্গে নতুন ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহের কথাও তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখন যাবেন, যাদের সঙ্গেই দেখা বা বৈঠক হবে সবকিছুই জানানো হবে।

দ্বিপক্ষীয়ভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের আগ্রহ বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। দিল্লির সঙ্গে ঢাকা নতুন কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন ক‌বির বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেসামরিক মানুষ হত‍্যা ও তাদের নিরাপত্তা কূটনৈতিক চ্যানেলেই আলোচনা চলছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা, সহযোগিতা ও জনগণের কল্যাণকে সামনে রেখে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যাশা রয়েছে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বেসামরিক মানুষ হত্যার বিষয়টিও সরকারের নজরে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সীমান্তে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধের বিষয়টি কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে আলোচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট সীমান্তে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফর শুধু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটি বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক ভিশনকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

একটি আত্মবিশ্বাসী, উন্নয়নমুখী ও ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ এই বার্তাই বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যাশা নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পথে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশের স্বার্থ, জনগণের প্রত্যাশা এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর বৈদেশিক সম্পর্ক, এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সফর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।