ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে বছরে গড় বৃষ্টিপাত ২২০০ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে মাত্র ৭ দিনেই ১৪৫৪ তরুণ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ঋণ: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে তীব্র যানজট  সংসদ ভবনের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রে প্রয়োজনে আবার পরীক্ষা: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম মরদেহ দাফনেও  সংকট এবারে বন্যা ও পাহাড় ধসে এতো মৃত্যু কেন স্ক্রিনের অদৃশ্য শিকলে বন্দি শৈশব অল্প বৃষ্টিতেই জলমগ্ন ঢাকা: কেন বারবার ডুবছে রাজধানী? অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত দেশ: ৭ জেলায় ভয়াবহ বন্যা প্রাণহানি ৪৪ নতুন করে প্লাবনের শঙ্কা আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় দেশে ফিরেই ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা পেল মিসর দল

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম মরদেহ দাফনেও  সংকট

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মৃতদেহ ভেলায় ভাসিয়ে উচু জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে: সংগৃহিত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশের বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। লাখো মানুষ পানিবন্দী বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় শিবিরে হাজারো মানুষ। চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণে সাতকানিয়া থানা এলাকার বন্যাপিরিস্থিতি ভয়াবহ। এখানের মৃত মানুষকে সতৎকারের জায়গাটুকুও অবশিষ্ট নেই।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে কবরস্থান ডুবে যাওয়ায় মৃত ফোরকানের মরদেহ ভেলায় করে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নিয়ে সৎকার করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও পাহাড়ধসে অন্তত ৫১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

রাজধানী ঢাকাও ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বর্ষণে জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়েছে; বহু সড়ক ডুবে গেছে এবং কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গত মানুষের জন্য ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। যারমধ্যে  নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান, প্রয়োজন ছাড়া স্রোতযুক্ত পানি এড়িয়ে চলা, বিশুদ্ধ পানি পানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় রাখা এবং বন্যার জল না নামা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ফিরে না যাওয়া।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে ঢাকাসহ বন্যাকবলিত কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে। তবে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যা ও পাহাড়ধসের প্রধান কারণ ছিল ৪৩ বছরের রেকর্ড ভাঙা অতি ভারী বৃষ্টিপাত, উজানের পাহাড়ি ঢল এবং ভেঙে পড়া পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। প্রশাসনের সতর্কতা উপেক্ষা করে আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ায়ও অনেক প্রাণহানি ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম মরদেহ দাফনেও  সংকট

আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশের বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। লাখো মানুষ পানিবন্দী বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় শিবিরে হাজারো মানুষ। চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণে সাতকানিয়া থানা এলাকার বন্যাপিরিস্থিতি ভয়াবহ। এখানের মৃত মানুষকে সতৎকারের জায়গাটুকুও অবশিষ্ট নেই।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে কবরস্থান ডুবে যাওয়ায় মৃত ফোরকানের মরদেহ ভেলায় করে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নিয়ে সৎকার করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও পাহাড়ধসে অন্তত ৫১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

রাজধানী ঢাকাও ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বর্ষণে জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়েছে; বহু সড়ক ডুবে গেছে এবং কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গত মানুষের জন্য ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। যারমধ্যে  নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান, প্রয়োজন ছাড়া স্রোতযুক্ত পানি এড়িয়ে চলা, বিশুদ্ধ পানি পানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় রাখা এবং বন্যার জল না নামা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ফিরে না যাওয়া।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে ঢাকাসহ বন্যাকবলিত কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে। তবে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যা ও পাহাড়ধসের প্রধান কারণ ছিল ৪৩ বছরের রেকর্ড ভাঙা অতি ভারী বৃষ্টিপাত, উজানের পাহাড়ি ঢল এবং ভেঙে পড়া পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। প্রশাসনের সতর্কতা উপেক্ষা করে আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ায়ও অনেক প্রাণহানি ঘটেছে।