ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উপসাগরে নতুন উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখোমুখি ইরান-আমিরাত বাংলাদেশ-কাতার জ্বালানি ও অর্থখাতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে সম্মতি কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের ভাগ্যবদলের স্বপ্নে ঘরছাড়া ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি উদ্যোগ পরিবর্তনের এপ্রিল-মার্চ হচ্ছে নতুন অর্থবছর সমঝোতার মেয়াদ শেষ ইরানকে ‘সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ’ করতে বললেন ট্রাম্প ঘুরে দাঁড়ানোর ছয় মাস “ধ্বংসস্তূপ সামলে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রযন্ত্র পুনর্গঠনের পথে সরকার” মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি আয়: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে  ফেরনোর প্রক্রিয়া ভারতের সিদ্ধান্ত : চিফ প্রসিকিউটর

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: এজাহারভুক্ত আসামি জামায়াত কর্মী রাজীব মিস্ত্রি  গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

এজাহারভুক্ত আসামি জামায়াত কর্মী রাজীব মিস্ত্রি  গ্রেপ্তার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া রাজীব মিস্ত্রি (৪৫) উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কর্মী। তিনি হত্যা মামলার তিন নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় অবস্থানের খবর পেয়ে র‍্যাব-১২ ও র‍্যাব-৫ এর যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজীবকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন রাজীবকে দলের কর্মী বলে স্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং তারা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করবেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ১০ এপ্রিল পীর শামীম রেজার একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। এর জেরে ১১ এপ্রিল ফিলিপনগরের ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত আস্তানায় হামলা চালায় শতাধিক লোক।

হামলাকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি পীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। হামলায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৮০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফত মজলিস-এর নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: এজাহারভুক্ত আসামি জামায়াত কর্মী রাজীব মিস্ত্রি  গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া রাজীব মিস্ত্রি (৪৫) উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কর্মী। তিনি হত্যা মামলার তিন নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় অবস্থানের খবর পেয়ে র‍্যাব-১২ ও র‍্যাব-৫ এর যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজীবকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন রাজীবকে দলের কর্মী বলে স্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং তারা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করবেন।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ১০ এপ্রিল পীর শামীম রেজার একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। এর জেরে ১১ এপ্রিল ফিলিপনগরের ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত আস্তানায় হামলা চালায় শতাধিক লোক।

হামলাকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি পীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। হামলায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৮০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফত মজলিস-এর নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।