ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বৈরাচার পতনের পরও ষড়যন্ত্র চলমান: সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমান-এর খেলার মাঠ থেকে নদীতে: উপকূলের শিশুদের কঠিন জীবন কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: এজাহারভুক্ত আসামি জামায়াত কর্মী রাজীব মিস্ত্রি  গ্রেপ্তার জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, প্রতিষ্ঠিত সত্য: আইনমন্ত্রী গীর্জায় ঢুকে ফাদারকে বেঁধে লুট, গ্রেপ্তার ৩ দুষ্কৃতকারী হরমুজ সংকটে কোটি মানুষ দারিদ্র্যে পড়ার আশঙ্কা: জাতিসংঘ বাংলাদেশ ইস্যুতে আসাম মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার তলব সেচ সংকটের পর প্লাবনে নষ্ট বোরো : দ্বিমুখী আঘাতে বিপর্যস্ত কৃষি আজ চুক্তি: বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার ৫ জেলায় বন্যার আভাস: মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা, হাজারো মানুষ পানিবন্দি

স্বৈরাচার পতনের পরও ষড়যন্ত্র চলমান: সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমান-এর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

মে দিবসে রাজধানীর নয়া পল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার বিদায় নিলেও ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি।  এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। যারা চায় না বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক, তারা নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

মে দিবসে ঢাকার নয়াপল্টনে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি; বরং ভিন্ন রূপে তা অব্যাহত রয়েছে। তার মতে, একটি চক্র বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে দিতে চায় না এবং দেশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে নানাভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, যারা দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণকে উদ্দেশ করে তিনি সতর্ক করেন, যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেতনতা ও দৃঢ় অবস্থান অপরিহার্য। দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, একটি মহল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে ‘বন্ধুহীন’ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছে। তার অভিযোগ, এই গোষ্ঠী দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায় এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যায়, তখনই কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে। তাদের উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষ যেন উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার পথে এগোতে না পারে। তবে তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মহল এসব অপচেষ্টা সম্পর্কে সচেতন এবং তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে আগ্রহী।

দেশবাসীর প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অতীতে যেভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়েছে, তেমনভাবেই সব ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে হবে।

বক্তব্যে তিনি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিক ও কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এছাড়া, নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিক, কৃষক ও বিভিন্ন পেশাজীবী পরিবারের সদস্যদের ধীরে ধীরে সহায়তার আওতায় আনা হবে, যাতে তারা আর্থিক নিরাপত্তা পায়।

গ্রামীণ পানিসমস্যা সমাধানে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বৈরাচার পতনের পরও ষড়যন্ত্র চলমান: সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমান-এর

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার বিদায় নিলেও ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি।  এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। যারা চায় না বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক, তারা নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

মে দিবসে ঢাকার নয়াপল্টনে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র এখনো থামেনি; বরং ভিন্ন রূপে তা অব্যাহত রয়েছে। তার মতে, একটি চক্র বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে দিতে চায় না এবং দেশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে নানাভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, যারা দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণকে উদ্দেশ করে তিনি সতর্ক করেন, যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেতনতা ও দৃঢ় অবস্থান অপরিহার্য। দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, একটি মহল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে ‘বন্ধুহীন’ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছে। তার অভিযোগ, এই গোষ্ঠী দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায় এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যায়, তখনই কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে। তাদের উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষ যেন উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার পথে এগোতে না পারে। তবে তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মহল এসব অপচেষ্টা সম্পর্কে সচেতন এবং তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে আগ্রহী।

দেশবাসীর প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অতীতে যেভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়েছে, তেমনভাবেই সব ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে হবে।

বক্তব্যে তিনি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিক ও কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এছাড়া, নির্বাচনের আগে দেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিক, কৃষক ও বিভিন্ন পেশাজীবী পরিবারের সদস্যদের ধীরে ধীরে সহায়তার আওতায় আনা হবে, যাতে তারা আর্থিক নিরাপত্তা পায়।

গ্রামীণ পানিসমস্যা সমাধানে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।