সাড়ে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী: এসএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু, কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের নির্দেশনা
- আপডেট সময় : ০৮:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে। এবারে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ পাবলিক পরীক্ষাগুলোর একটি।
পরীক্ষার প্রথম দিনে এসএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র, দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং ভোকেশনালে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হলেও যানজট ও সম্ভাব্য ভোগান্তি এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এতে করে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবে এবং মানসিক চাপও কিছুটা কমবে।
পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তরগুলোকে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যাতে কোনো কেন্দ্রে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পরীক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করতে সরকার কাজ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনেক সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি করে, যা তাদের মানসিকভাবে প্রভাবিত করে।
এ বিষয়ে অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ভবিষ্যতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জানুয়ারি থেকে কোর্স শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ হয়, তাই কোর্স শেষ হওয়ার পরই পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমবে।



















