ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: সমঝোতা না হলে যুদ্ধবিরতি বাড়াবেন না
- আপডেট সময় : ১১:৫৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নাও হতে পারে। তিনি বলেছেন, আগামী বুধবারের মধ্যে যদি দুই পক্ষ কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারেন। তার এই মন্তব্য নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ট্রাম্পের বক্তব্যে আবারও সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত মিলেছে। এর মধ্যেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় বসতে পারেন।
যদিও এখনো আলোচনার নির্দিষ্ট সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি ওয়াশিংটন, তবুও ট্রাম্প পূর্বে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে উভয় পক্ষই একটি সম্ভাব্য চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি নিয়েও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, প্রণালিটি খোলা রয়েছে বা দ্রুত খুলে দেওয়া হচ্ছে, এতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং “খুবই খুশি”।

ট্রাম্প আরও জানান, আগামী ১৪-১৫ মে চীনে তার সঙ্গে শি জিনপিংয়ের নির্ধারিত বৈঠকটি বিশেষ এবং সম্ভাব্যভাবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বৈঠক থেকে বড় ধরনের অগ্রগতি আসতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চীনের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা দেশ হিসেবে চীন তাদের মোট তেল চাহিদার প্রায় ৩৮ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আমদানি করে। ফলে এই নৌপথে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা বেইজিংয়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। বেইজিং ইতোমধ্যেই যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে, যা চলমান সংকট নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।



















