ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

গোপন তথ্য উন্মোচন সৌদিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ১১০ বার পড়া হয়েছে

সৌদিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের ঘটনা স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ছবিতে দেখা যায়, হামলার ফলে ই-৩ সেন্ট্রি (E-3 Sentry) নামক একটি অত্যাধুনিক ‘আওয়াক্স’ (AWACS) বিমানের মধ্যভাগ বা ফিউজেলেজ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে আছে। বিমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটিও মূল কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

গত ২৯ মার্চ ধারণ করা এই স্যাটেলাইট ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটির আশপাশে বেশ কিছু সামরিক যানবাহনের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়, যা উদ্ধার বা পরবর্তী কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়।

তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হামলার দুই দিন পরও একই ঘাঁটিতে আরও দুটি ই-৩ সেন্ট্রি বিমান কোনো ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিল। এর মধ্যে একটি ধ্বংস হওয়া বিমানের মাত্র ১ হাজার ৩০০ মিটারেরও কম দূরত্বে ছিল। পাশাপাশি, কয়েকটি রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার এবং ই-২ হকআই (E-2 Hawkeye) নজরদারি বিমানকেও একইভাবে অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।

সাধারণত এ ধরনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিমানগুলোকে সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ হ্যাঙ্গার বা সুরক্ষিত স্থাপনায় রাখা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লেখ্য, ‘আওয়াক্স’ বিমান মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। এটি আকাশপথে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে নজরদারি চালাতে সক্ষম, যা যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হামলায় এমন একটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমানের ধ্বংস হওয়া মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: সিএনএন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গোপন তথ্য উন্মোচন সৌদিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ

আপডেট সময় : ০২:২২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংসের ঘটনা স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ছবিতে দেখা যায়, হামলার ফলে ই-৩ সেন্ট্রি (E-3 Sentry) নামক একটি অত্যাধুনিক ‘আওয়াক্স’ (AWACS) বিমানের মধ্যভাগ বা ফিউজেলেজ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে আছে। বিমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটিও মূল কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

গত ২৯ মার্চ ধারণ করা এই স্যাটেলাইট ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটির আশপাশে বেশ কিছু সামরিক যানবাহনের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়, যা উদ্ধার বা পরবর্তী কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়।

তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হামলার দুই দিন পরও একই ঘাঁটিতে আরও দুটি ই-৩ সেন্ট্রি বিমান কোনো ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিল। এর মধ্যে একটি ধ্বংস হওয়া বিমানের মাত্র ১ হাজার ৩০০ মিটারেরও কম দূরত্বে ছিল। পাশাপাশি, কয়েকটি রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার এবং ই-২ হকআই (E-2 Hawkeye) নজরদারি বিমানকেও একইভাবে অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।

সাধারণত এ ধরনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিমানগুলোকে সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ হ্যাঙ্গার বা সুরক্ষিত স্থাপনায় রাখা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লেখ্য, ‘আওয়াক্স’ বিমান মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। এটি আকাশপথে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে নজরদারি চালাতে সক্ষম, যা যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হামলায় এমন একটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমানের ধ্বংস হওয়া মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: সিএনএন