ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের

নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

অসাধারণ বোলিংয়ে জয়ের নায়ক নাহিদ রানা। ছবি: বিসিবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেশের মাঠে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে ভাঙচুর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়েছিলেন। ১০০ ওভারের ম্যাচটি শেষ হলো মাত্র ৪৫.৫ ওভারে, যেখানে বাংলাদেশ ২০৯ বল বাকি রেখেই সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে নেয়।

ম্যাচ শুরুর আগে মিরপুর স্টেডিয়ামে ছিল চমকপ্রদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে ক্রিকেটের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠলেন নাহিদ রানা।

নাহিদ রানা এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের বলের ধামাকা পাকিস্তানের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেয়। নাহিদের স্পেল শুরুতেই পাকিস্তানের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেয়, এরপর প্রথম পাঁচ ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ে তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।

রান তাড়ায় তানজিদ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের ইনিংস এগোয়। বাংলাদেশের জয় আসে ২০৯ বল বাকি রেখে। উল্লেখযোগ্য, নাহিদ রানা তার আগের পাঁচ ওয়ানডেতে মোট ৫ উইকেট পেয়েছিলেন, কিন্তু এই ম্যাচেই ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং রেকর্ডে নাম লেখান।

পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে চার অভিষিক্তকে নিয়ে শুরু হলেও, তাদের অভিজ্ঞতার অভাব নাহিদ রানা এবং মিরাজের বোলিংয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে মোহাম্মাদ রিজওয়ানকে খারাপ অবস্থায় ফেলার জন্য নাহিদ রানা রেখেছিলেন সবচেয়ে ধামাকা ডেলিভারি।

বাংলাদেশের জন্য এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রান, আগের রেকর্ড ছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ১৬১ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • পাকিস্তান: ৩০.৪ ওভারে ১১৪ (সাহিবজাদা ২৭, সাদাকাত ১৮; নাহিদ ৭-০-২৪-৫, মিরাজ ১০-০-২৯-৩, মুস্তাফিজ ৪.৪-০-১৮-১)

  • বাংলাদেশ: ১৫.১ ওভারে ১১৫/২ (তানজিদ ৬৭*, শান্ত ২৭, লিটন ৩*)

ফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: নাহিদ রানা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেশের মাঠে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে ভাঙচুর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়েছিলেন। ১০০ ওভারের ম্যাচটি শেষ হলো মাত্র ৪৫.৫ ওভারে, যেখানে বাংলাদেশ ২০৯ বল বাকি রেখেই সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে নেয়।

ম্যাচ শুরুর আগে মিরপুর স্টেডিয়ামে ছিল চমকপ্রদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে ক্রিকেটের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠলেন নাহিদ রানা।

নাহিদ রানা এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের বলের ধামাকা পাকিস্তানের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেয়। নাহিদের স্পেল শুরুতেই পাকিস্তানের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেয়, এরপর প্রথম পাঁচ ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ে তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।

রান তাড়ায় তানজিদ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের ইনিংস এগোয়। বাংলাদেশের জয় আসে ২০৯ বল বাকি রেখে। উল্লেখযোগ্য, নাহিদ রানা তার আগের পাঁচ ওয়ানডেতে মোট ৫ উইকেট পেয়েছিলেন, কিন্তু এই ম্যাচেই ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং রেকর্ডে নাম লেখান।

পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে চার অভিষিক্তকে নিয়ে শুরু হলেও, তাদের অভিজ্ঞতার অভাব নাহিদ রানা এবং মিরাজের বোলিংয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে মোহাম্মাদ রিজওয়ানকে খারাপ অবস্থায় ফেলার জন্য নাহিদ রানা রেখেছিলেন সবচেয়ে ধামাকা ডেলিভারি।

বাংলাদেশের জন্য এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রান, আগের রেকর্ড ছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ১৬১ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • পাকিস্তান: ৩০.৪ ওভারে ১১৪ (সাহিবজাদা ২৭, সাদাকাত ১৮; নাহিদ ৭-০-২৪-৫, মিরাজ ১০-০-২৯-৩, মুস্তাফিজ ৪.৪-০-১৮-১)

  • বাংলাদেশ: ১৫.১ ওভারে ১১৫/২ (তানজিদ ৬৭*, শান্ত ২৭, লিটন ৩*)

ফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: নাহিদ রানা