ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যালোচনা ছাড়াই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এ দাবির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ অন্যান্য কমিশনাররা। তাদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া এই অধ্যাদেশে কিছু ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা থাকলেও তা সংশোধনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে নেওয়া যেতে পারে। তবে আপাতত অধ্যাদেশের বিদ্যমান কাঠামোকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া জরুরি।

সোমবার  রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ে নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব মতামত উঠে আসে। সভায় স্বাগত বক্তব্যে কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান কমিশনারদের অতীত কাজ ও জনজীবনে তাদের ভূমিকা প্রমাণ করে যে আইন যতটুকু সুযোগ দেবে, কমিশন ততটুকু আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সাহসের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় কমিশন সক্রিয় থাকতে চায়; তবে এর কার্যকারিতা অনেকাংশে আইনগত ভিত্তির ওপর নির্ভরশীল।

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অধ্যাদেশটি বর্তমান রূপেই সংসদে অনুমোদন দেওয়া উচিত। পরে কমিশনকে কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সম্পূরক সুরক্ষা ও কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তিনি কমিশনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ তুলনামূলকভাবে উন্নত। যদিও আর্থিক স্বাধীনতার মতো কিছু বিষয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও এখনই পর্যালোচনার উদ্যোগ নিলে বিদ্যমান অগ্রগতিও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সভায় এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা জেলা পর্যায়ে মানবাধিকার কমিটি গঠন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির বলেন, কমিশন যেন কেবল আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান হয়ে না থেকে বাস্তবিকভাবে মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার নাবিলা ইদ্রিসের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন কমিশনার মো. নুর খান, অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, ইলিরা দেওয়ান, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, আদিবাসী অধিকারকর্মী দিপায়ন খীসা, ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ এবং কাপেং ফাউন্ডেশনের ফাল্গুনী ত্রিপুরা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

পর্যালোচনা ছাড়াই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এ দাবির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ অন্যান্য কমিশনাররা। তাদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া এই অধ্যাদেশে কিছু ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা থাকলেও তা সংশোধনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে নেওয়া যেতে পারে। তবে আপাতত অধ্যাদেশের বিদ্যমান কাঠামোকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া জরুরি।

সোমবার  রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ে নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব মতামত উঠে আসে। সভায় স্বাগত বক্তব্যে কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমান কমিশনারদের অতীত কাজ ও জনজীবনে তাদের ভূমিকা প্রমাণ করে যে আইন যতটুকু সুযোগ দেবে, কমিশন ততটুকু আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সাহসের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় কমিশন সক্রিয় থাকতে চায়; তবে এর কার্যকারিতা অনেকাংশে আইনগত ভিত্তির ওপর নির্ভরশীল।

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অধ্যাদেশটি বর্তমান রূপেই সংসদে অনুমোদন দেওয়া উচিত। পরে কমিশনকে কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সম্পূরক সুরক্ষা ও কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তিনি কমিশনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ তুলনামূলকভাবে উন্নত। যদিও আর্থিক স্বাধীনতার মতো কিছু বিষয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও এখনই পর্যালোচনার উদ্যোগ নিলে বিদ্যমান অগ্রগতিও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সভায় এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা জেলা পর্যায়ে মানবাধিকার কমিটি গঠন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির বলেন, কমিশন যেন কেবল আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান হয়ে না থেকে বাস্তবিকভাবে মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার নাবিলা ইদ্রিসের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন কমিশনার মো. নুর খান, অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, ইলিরা দেওয়ান, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, আদিবাসী অধিকারকর্মী দিপায়ন খীসা, ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ এবং কাপেং ফাউন্ডেশনের ফাল্গুনী ত্রিপুরা প্রমুখ।