ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

অমর একুশে বইমেলার দ্বার উন্মোচন,  বহুমাত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা

ঋদি হক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা

বহুমাত্রিক বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে হৃদয়ে ধারণ করে  ঢাকায় শুরু হলো প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গেই উন্মুক্ত হয়ে যায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের  মেলার দুয়ার।

বই আর বাঙালির আত্মার বন্ধনকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে এবার মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে প্রাঙ্গণ, তবে রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। মোট ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৮টি।

উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে রয়েছে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল, যেখানে নবীন চিন্তার সৃজনশীল ঢেউ বইবে প্রতিদিন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো শিশু চত্বরে রয়েছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান।

প্রতিদিন বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আর প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর, যেখানে গল্প, ছড়া আর আনন্দে মুখর হবে ছোট্ট পাঠকরা।

বইমেলাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ভাষা ও সাহিত্যের এই মহোৎসব আবারও প্রমাণ করল, বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অমর একুশে বইমেলার দ্বার উন্মোচন,  বহুমাত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা

আপডেট সময় : ০৫:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা

বহুমাত্রিক বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে হৃদয়ে ধারণ করে  ঢাকায় শুরু হলো প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গেই উন্মুক্ত হয়ে যায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের  মেলার দুয়ার।

বই আর বাঙালির আত্মার বন্ধনকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে এবার মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে প্রাঙ্গণ, তবে রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। মোট ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৮টি।

উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চসংলগ্ন গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে রয়েছে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল, যেখানে নবীন চিন্তার সৃজনশীল ঢেউ বইবে প্রতিদিন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো শিশু চত্বরে রয়েছে ৬৩টি প্রতিষ্ঠান।

প্রতিদিন বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আর প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত থাকবে শিশুপ্রহর, যেখানে গল্প, ছড়া আর আনন্দে মুখর হবে ছোট্ট পাঠকরা।

বইমেলাকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ভাষা ও সাহিত্যের এই মহোৎসব আবারও প্রমাণ করল, বইয়ের পাতায়ই বাঙালির চিরন্তন স্বপ্নের ঠিকানা।