ঢাকার সড়কে ফের দাপট রিকশার, হার মানল ‘ট্র্যাপার’ উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার প্রধান সড়কে রিকশা ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল ঠেকাতে কিছু কিছু স্থানে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ট্র্যাপার’ বসিয়েছে পুলিশ। কিন্তু নানা কৌশলে, বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা সেই বাধা ঠিকই ডিঙিয়ে যাচ্ছে: ছবি সংগ্রহ
রাজধানীর যেসব সড়কে রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ, সেসব পথে রিকশা ঠেকাতে প্রবেশমুখে বিশেষ ট্র্যাপার বা ফাঁদ বসিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন–এর সহযোগিতায় উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করে ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর ট্রাফিক বিভাগ।
২০২৪ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে রমনার বেইলী রোড ও ব্যাটারি গলিতে এসব ট্র্যাপার স্থাপন করা হয়। পরে দক্ষিণ সিটির আওতাধীন রিকশা–নিষিদ্ধ আরও কয়েকটি সড়কের মুখে একে একে বসানো হয়। পরিকল্পনা ছিল, কোনো রিকশা ফাঁদ অতিক্রম করতে চাইলে লোহার খাঁজে চাকা আটকে যাবে, এমনকি বিশেষ নকশার আরেক ধরনের ফাঁদ চাকা ফুটোও করে দেবে।
এতে ফিডার রোড থেকে মূল সড়কে রিকশা ওঠা বন্ধ হবে এবং ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না।

কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং চালকদের প্রতিরোধের মুখে উদ্যোগটি কার্যত ভেস্তে যায়। কোথাও ট্র্যাপারের ওপর মাটি ও সিমেন্ট ঢেলে সমান করে ফেলা হয়, কোথাও ভেঙে ফেলা বা খুলে নেওয়া হয়। অনেক স্থানে জং ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে এবং রিকশা আবারও মূল সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচল শুরু করে। এমনকি কিছু স্থানে প্রাইভেটকারের চাকা স্লিপ করার ঘটনাও ঘটে।
২০১৪ সালের মে মাসে রমনা পার্কসংলগ্ন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার সামনে উল্টো পথে প্রবেশ ঠেকাতে প্রতিরোধ নামের একটি ডিভাইস বসানো হয়েছিল, যা ভুল পথে ঢোকা গাড়ির চাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফুটো করত।
এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে বসানো ট্র্যাপারগুলো চালকেরা নষ্ট করে ফেলেছে। তবুও প্রধান সড়ক থেকে অবৈধ রিকশা অপসারণে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নতুন সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।


















