৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার, অনলাইন প্রতারণা চক্রের হদিস
- আপডেট সময় : ০৮:০৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরি, বিনিয়োগ ও সস্তা পণ্যের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারণা চক্রের সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় পাঁচ চীনা নাগরিকসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজারের বেশি সিমকার্ড, বিপুল সংখ্যক মোবাইল ফোন এবং অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে সংক্রান্ত সরঞ্জাম।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি মিডিয়া তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে জব প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপভিত্তিক স্ক্যামসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে রাজধানীতে সক্রিয় দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্রের অস্তিত্ব শনাক্ত করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চীনা নাগরিকরা হলেন, চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ ও হুয়াং ঝেং জিয়াং। এ ছাড়া গ্রেপ্তার বাংলাদেশিরা হলেন মো. জাকারিয়া (২৬), নিয়াজ মাসুম (২০) ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয় (৩৮)।
তদন্তের অংশ হিসেবে গত ৭ জানুয়ারি ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মাসুম ও হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১৪টি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুটি সিপিইউ ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে মামলার সূত্র ধরে সোমবার (১২ জানুয়ারি) উত্তরা পশ্চিম থানার ৯ নম্বর সেক্টরে আরেকটি অভিযান চালিয়ে পাঁচ বিদেশি নাগরিকসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, ৪৭টি মোবাইল ফোন, ১৮৪টি সিম ও পাঁচটি ল্যাপটপ।
ডিবি সাইবার সূত্র জানায়, প্রতারকরা কখনো চাকরি দেওয়ার নামে, কখনো উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে, আবার কখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সস্তায় সরবরাহের বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত। গ্রেপ্তার নিয়াজ ও হাসান জয়কে ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



















