ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

এলপিজি সংকটে স্বস্তির উদ্যোগ: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

এএলপিজি সংকটে স্বস্তির উদ্যোগ: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও দফায় দফায় দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ যখন চরম ভোগান্তিতে, তখন আমদানিকারকদের জন্য বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ঋণ বা বাকিতে গ্যাস আনার সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করে পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণ ও পরিবহন প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক বেশি সময় লাগায় এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন সময়সীমা দেওয়া যায়। এই সুবিধা এখন এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ারস ক্রেডিট সংগ্রহে সহায়তা এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এলপিজির সংকট ও দাম বৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পরিবহন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় সিলিন্ডার পাওয়া না যাওয়ায় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে আমদানি স্বাভাবিক হবে এবং বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এলপিজি সংকটে স্বস্তির উদ্যোগ: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে এলপিজির কৃত্রিম সংকট ও দফায় দফায় দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ যখন চরম ভোগান্তিতে, তখন আমদানিকারকদের জন্য বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত ঋণ বা বাকিতে গ্যাস আনার সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করে পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণ ও পরিবহন প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক বেশি সময় লাগায় এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন সময়সীমা দেওয়া যায়। এই সুবিধা এখন এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ারস ক্রেডিট সংগ্রহে সহায়তা এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এলপিজির সংকট ও দাম বৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পরিবহন খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় সিলিন্ডার পাওয়া না যাওয়ায় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে আমদানি স্বাভাবিক হবে এবং বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।