ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

বেনাপোল কাস্টমসে প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি

শহিদুজ্জামান উজ্জ্বল, শার্শা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ৩১২ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল কাস্টমসে প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমদানি কম, শুল্কফাঁকি ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যে

 দেশের সর্ববৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যপূরণে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ সময়ে আদায় হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১২০ দশমিক ০৫ কোটি টাকা, যার ফলে প্রায় ১ হাজার ১৩ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।

কাস্টমস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, আমদানি কমে যাওয়া, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এবং মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে শুল্কফাঁকিই মূলত ঘাটতির কারণ।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য নিরাপত্তায় দুর্বলতার সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্য পাচার করে শুল্কফাঁকি দিচ্ছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর বিদ্যমান আমদানি নিষেধাজ্ঞা বন্দরের কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।

বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, বৈধ সুবিধা ও দ্রুত পণ্য খালাস না হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত হলে আমদানি ও রাজস্ব আয় দুটোই বৃদ্ধি পাবে।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী বলেন, নিরাপত্তা প্রয়োজন হলেও দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাক আটকে তল্লাশির কারণে ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ভারতীয় বন্দরগুলোর মতো আধুনিক স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন হলে বাণিজ্য গতি বাড়বে।

বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ৬০০-৭০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়, কিন্তু বর্তমানে তা ২৫০ ট্রাকের আশপাশে সীমাবদ্ধ। এর ফলে রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি শ্রমিক ও পরিবহন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানিয়েছেন, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাসিক রাজস্ব আদায় ছিল – জুলাই: ৫৪৪.০৪ কোটি, আগস্ট: ৪৪৭.৯৩ কোটি, সেপ্টেম্বর: ৫১৩.৫৮ কোটি, অক্টোবর: ৪৪৯.২৮ কোটি, নভেম্বর: ৫৬৪.৪১ কোটি, ডিসেম্বর: ৬০০.৮১ কোটি টাকা। শুল্কফাঁকির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে জরিমানাসহ কাস্টমস আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, বছরের শেষ পর্যন্ত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :