ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড নীতিতে বাংলাদেশ: সর্বোচ্চ গুণতে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড নীতিতে বাংলাদেশ: সর্বোচ্চ গুণতে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার শর্ত আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত প্রদানের আওতায় থাকা দেশের তালিকা সম্প্রসারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ একাধিক দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

নতুন নীতিমালার আওতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)। এই বন্ড একটি ফেরতযোগ্য আর্থিক নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচিত হবে, যা ভিসার শর্ত যথাযথভাবে পালন করলে ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

ভিসা বন্ড মূলত এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত সময়সীমার বেশি অবস্থান করবেন না, এ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও স্বল্পমেয়াদি কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রদান করে। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করার প্রবণতা বা ‘ওভারস্টে’ ঝুঁকি বিবেচনায় এনে কিছু দেশের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ভিসা বন্ড একটি ব্যতিক্রমী নীতি। অধিকাংশ দেশ ভিসার আবেদনের সময় আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ চাইলেও ফেরতযোগ্য জামানত বাধ্যতামূলক করে না। অতীতে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য সীমিত পরিসরে এ ধরনের উদ্যোগ নিলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে বিবেচিত হলেও এটি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয় হিসেবেও গুরুত্ব পেতে পারে। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ, প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড নীতিতে বাংলাদেশ: সর্বোচ্চ গুণতে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ১১:১৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার শর্ত আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত প্রদানের আওতায় থাকা দেশের তালিকা সম্প্রসারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ একাধিক দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

নতুন নীতিমালার আওতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)। এই বন্ড একটি ফেরতযোগ্য আর্থিক নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচিত হবে, যা ভিসার শর্ত যথাযথভাবে পালন করলে ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

ভিসা বন্ড মূলত এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত সময়সীমার বেশি অবস্থান করবেন না, এ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও স্বল্পমেয়াদি কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রদান করে। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করার প্রবণতা বা ‘ওভারস্টে’ ঝুঁকি বিবেচনায় এনে কিছু দেশের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ভিসা বন্ড একটি ব্যতিক্রমী নীতি। অধিকাংশ দেশ ভিসার আবেদনের সময় আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ চাইলেও ফেরতযোগ্য জামানত বাধ্যতামূলক করে না। অতীতে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য সীমিত পরিসরে এ ধরনের উদ্যোগ নিলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে বিবেচিত হলেও এটি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয় হিসেবেও গুরুত্ব পেতে পারে। নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ, প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।