ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

দেশে-বিদেশে ৬৬,১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত-অবরুদ্ধ, পাচার অর্থ উদ্ধারে বড় অগ্রগতি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

দেশে-বিদেশে ৬৬,১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত-অবরুদ্ধ, পাচার অর্থ উদ্ধারে বড় অগ্রগতি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে সরকার। দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ সর্বমোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কয়েকটি ধারা যুগোপযোগী করে সংশোধন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের লক্ষ্যে অগ্রাধিকারভুক্ত ১১টি কেস নিয়ে গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দলের কার্যক্রমের অগ্রগতি সভায় বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব কেসে ইতোমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং ৪টি মামলায় আদালত রায় দিয়েছেন।

সভায় আরও জানানো হয়, অগ্রাধিকারভুক্ত ১১টি কেসের আওতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে ২১টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এসব কেসে যত দ্রুত সম্ভব চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর প্রেরণ এবং মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পরিপালনে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়নের জন্য এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) কর্তৃক ২০২৭–২৮ মেয়াদে চতুর্থ পর্বের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন সম্পন্ন হবে। এ প্রেক্ষাপটে মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, সিআইডি প্রধানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিএফআইইউয়ের প্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশে-বিদেশে ৬৬,১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত-অবরুদ্ধ, পাচার অর্থ উদ্ধারে বড় অগ্রগতি

আপডেট সময় : ১০:৩২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছে সরকার। দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা এবং বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ সর্বমোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কয়েকটি ধারা যুগোপযোগী করে সংশোধন করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারের লক্ষ্যে অগ্রাধিকারভুক্ত ১১টি কেস নিয়ে গঠিত যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দলের কার্যক্রমের অগ্রগতি সভায় বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব কেসে ইতোমধ্যে ১০৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং ৪টি মামলায় আদালত রায় দিয়েছেন।

সভায় আরও জানানো হয়, অগ্রাধিকারভুক্ত ১১টি কেসের আওতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে ২১টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এসব কেসে যত দ্রুত সম্ভব চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর প্রেরণ এবং মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পরিপালনে বাংলাদেশের অবস্থান মূল্যায়নের জন্য এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) কর্তৃক ২০২৭–২৮ মেয়াদে চতুর্থ পর্বের মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন সম্পন্ন হবে। এ প্রেক্ষাপটে মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক), অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, সিআইডি প্রধানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ ও বিএফআইইউয়ের প্রতিনিধিরা।