ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

তিউনিসিয়ায় বিরোধী নেত্রী আবির মুসির ১২ বছরের কারাদণ্ড, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

তিউনিসিয়ায় বিরোধী নেত্রী আবির মুসির ১২ বছরের কারাদণ্ড, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরব বসন্তের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত তিউনিসিয়ায় প্রভাবশালী বিরোধী নেত্রী ফ্রি ডেসতুরিয়ান পার্টির (এফডিপি) সভাপতি আবির মুসিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের সমালোচকদের বিরুদ্ধে চলমান কঠোর অভিযানের মধ্যেই এই রায় এলো, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

শুক্রবার ঘোষিত রায়কে অন্যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতবলে আখ্যা দিয়েছেন মুসির আইনজীবী নাফা লারিবি। তাঁর ভাষ্য, এটি কোনো স্বাধীন বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সরকারনির্দেশিত আদেশ। গত দুই বছরে মুসির বিরুদ্ধে এটি তৃতীয় বিচারিক আদেশ।

ফ্রি ডেসতুরিয়ান পার্টির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আবির মুসিকে ইচ্ছাকৃত নির্বিচারভাবেআটক রাখা হয়েছে। বিরোধী কণ্ঠরোধ করতেই তাঁকে একের পর এক মামলার মুখোমুখি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির।

২০১৬ সাল থেকে দলটির নেতৃত্বে থাকা আবির মুসি সাবেক প্রেসিডেন্ট আবিদিন বেন আলির ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ২০১১ সালের আরব বসন্তে বেন আলির পতনের পর তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং পরে প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন।

২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২১ সালে সংসদ ভেঙে ডিক্রির মাধ্যমে শাসন শুরু করেন কাইস সাইদ। তাঁর দাবি, দেশকে নৈরাজ্য থেকে রক্ষা করতেই এসব পদক্ষেপ। তবে বিরোধী দল মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এতে তিউনিসিয়া আবারও কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে হাঁটছে।

প্রেসিডেন্ট সাইদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবেই কাজ করছে এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিউনিসিয়ায় বিরোধী নেত্রী আবির মুসির ১২ বছরের কারাদণ্ড, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৬:০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

আরব বসন্তের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত তিউনিসিয়ায় প্রভাবশালী বিরোধী নেত্রী ফ্রি ডেসতুরিয়ান পার্টির (এফডিপি) সভাপতি আবির মুসিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের সমালোচকদের বিরুদ্ধে চলমান কঠোর অভিযানের মধ্যেই এই রায় এলো, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

শুক্রবার ঘোষিত রায়কে অন্যায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতবলে আখ্যা দিয়েছেন মুসির আইনজীবী নাফা লারিবি। তাঁর ভাষ্য, এটি কোনো স্বাধীন বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সরকারনির্দেশিত আদেশ। গত দুই বছরে মুসির বিরুদ্ধে এটি তৃতীয় বিচারিক আদেশ।

ফ্রি ডেসতুরিয়ান পার্টির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আবির মুসিকে ইচ্ছাকৃত নির্বিচারভাবেআটক রাখা হয়েছে। বিরোধী কণ্ঠরোধ করতেই তাঁকে একের পর এক মামলার মুখোমুখি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির।

২০১৬ সাল থেকে দলটির নেতৃত্বে থাকা আবির মুসি সাবেক প্রেসিডেন্ট আবিদিন বেন আলির ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ২০১১ সালের আরব বসন্তে বেন আলির পতনের পর তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং পরে প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন।

২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২১ সালে সংসদ ভেঙে ডিক্রির মাধ্যমে শাসন শুরু করেন কাইস সাইদ। তাঁর দাবি, দেশকে নৈরাজ্য থেকে রক্ষা করতেই এসব পদক্ষেপ। তবে বিরোধী দল মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এতে তিউনিসিয়া আবারও কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে হাঁটছে।

প্রেসিডেন্ট সাইদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবেই কাজ করছে এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে।