ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বীকৃতির দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ন্যাপের স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বীকৃতির দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ন্যাপের স্মারকলিপি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ও মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ১৭ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

গত ৪ নভেম্বর দলের চেয়ারম্যান জেবেল হোসেন গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়ার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মিতা রহমান, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া এবং নির্বাহী সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মওলানা ভাসানীই বাঙালির স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বপন করেছিলেন। স্বাধীনতার ইতিহাস নির্মাণে তার নাম উপেক্ষা করা সত্য বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। দেশের শোষণহীন, সাম্যভিত্তিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করেও তিনি বারবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্যে তিনি ব্যতিক্রমী এক নাম।

বাংলাদেশ ন্যাপ অভিযোগ করে বলে, অতীতের সব সরকারই ভাসানীর অবদানকে প্রয়োজনমতো ব্যবহার করলেও তাকে কখনো প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। ফলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন না করার বিষয়টি একটি বড় প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে এখনই প্রয়োজন জাতীয়ভাবে তাকে স্মরণ করা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তানি শাসনবিরোধী লড়াই, ভাষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনোত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ-প্রতিটি সংগ্রামেই ভাসানী ছিলেন নেতৃত্বের প্রথম সারিতে। তাই তার মৃত্যুদিনকে জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসের স্মরণীয় দিন হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা জাতির দায়মুক্তি নিশ্চিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বীকৃতির দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ন্যাপের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ও মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ১৭ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

গত ৪ নভেম্বর দলের চেয়ারম্যান জেবেল হোসেন গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়ার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মিতা রহমান, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া এবং নির্বাহী সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মওলানা ভাসানীই বাঙালির স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বপন করেছিলেন। স্বাধীনতার ইতিহাস নির্মাণে তার নাম উপেক্ষা করা সত্য বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। দেশের শোষণহীন, সাম্যভিত্তিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করেও তিনি বারবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্যে তিনি ব্যতিক্রমী এক নাম।

বাংলাদেশ ন্যাপ অভিযোগ করে বলে, অতীতের সব সরকারই ভাসানীর অবদানকে প্রয়োজনমতো ব্যবহার করলেও তাকে কখনো প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। ফলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন না করার বিষয়টি একটি বড় প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে এখনই প্রয়োজন জাতীয়ভাবে তাকে স্মরণ করা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তানি শাসনবিরোধী লড়াই, ভাষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনোত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ-প্রতিটি সংগ্রামেই ভাসানী ছিলেন নেতৃত্বের প্রথম সারিতে। তাই তার মৃত্যুদিনকে জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসের স্মরণীয় দিন হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা জাতির দায়মুক্তি নিশ্চিত করবে।