ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল হলেই হারাতে হবে নির্বাচনী যোগ্যতা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল হলেই হারাতে হবে নির্বাচনী যোগ্যতা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অভিযুক্ত হলে এমপি হওয়া যাবে না

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) কারো বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন হলে, তিনি আর সংসদ সদস্য (এমপি) পদে বহাল থাকতে পারবেন না এবং ভবিষ্যতেও এই পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা হলো। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না এবং বিচারাধীন অবস্থায় রাষ্ট্রীয় বা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক দায়িত্ব পালনের সুযোগও পাবেন না। এটি দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রকের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, আইসিটি-তে অভিযুক্ত ব্যক্তি কেবল সংসদ সদস্য পদেই অযোগ্য বিবেচিত হবেন না, বরং তিনি প্রজাতন্ত্রের কোনো চাকরি বা সরকারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় সরকার সংস্থার সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক পদেও নির্বাচিত বা নিয়োগ পাওয়ার অধিকার হারাবেন।

অর্থাৎ অভিযোগ দাখিলমাত্রই অভিযুক্ত ব্যক্তি সকল প্রকার নির্বাচিত বা সরকারি পদ থেকে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এই বিধানে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে পরবর্তীতে খালাসপ্রাপ্ত হন বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান, তাহলে তার ওপর অর্পিত অযোগ্যতা প্রত্যাহার হয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় শুদ্ধতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশেষ করে, মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে এ ধরনের স্পষ্ট নীতিমালা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক নজির স্থাপন করবে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল হলেই হারাতে হবে নির্বাচনী যোগ্যতা

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

অভিযুক্ত হলে এমপি হওয়া যাবে না

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) কারো বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন হলে, তিনি আর সংসদ সদস্য (এমপি) পদে বহাল থাকতে পারবেন না এবং ভবিষ্যতেও এই পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা হলো। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না এবং বিচারাধীন অবস্থায় রাষ্ট্রীয় বা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক দায়িত্ব পালনের সুযোগও পাবেন না। এটি দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রকের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, আইসিটি-তে অভিযুক্ত ব্যক্তি কেবল সংসদ সদস্য পদেই অযোগ্য বিবেচিত হবেন না, বরং তিনি প্রজাতন্ত্রের কোনো চাকরি বা সরকারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় সরকার সংস্থার সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক পদেও নির্বাচিত বা নিয়োগ পাওয়ার অধিকার হারাবেন।

অর্থাৎ অভিযোগ দাখিলমাত্রই অভিযুক্ত ব্যক্তি সকল প্রকার নির্বাচিত বা সরকারি পদ থেকে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এই বিধানে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে পরবর্তীতে খালাসপ্রাপ্ত হন বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান, তাহলে তার ওপর অর্পিত অযোগ্যতা প্রত্যাহার হয়ে যাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় শুদ্ধতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশেষ করে, মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে এ ধরনের স্পষ্ট নীতিমালা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক নজির স্থাপন করবে।