ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম চীনা ‘ভয়ংকর যুদ্ধবিমান’

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৬০ বার পড়া হয়েছে

শত্রু পক্ষের রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম চীনা ‘ভয়ংকর যুদ্ধবিমান’

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামরিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিশ্বে এবার নতুন মাত্রা যোগ করলো চীন। দেশটির আধুনিক পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০ সহজেই শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।

ছেংতু এয়ারক্রাফ্ট ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি চিফ ডিজাইনার কং ফেং জানান, জে-২০-এর রাডার ও ইনফ্রারেড সিগন্যাল এতটাই ভালো যে এটি সুঁচের মতো শত্রুর প্রতিরক্ষা জালের ভেতর দিয়ে ঢুকে যেতে পারে।

সাম্প্রতিক সামরিক কুচকাওয়াজে দেশটির প্রদর্শিত নতুন অস্ত্রাগার ও যুদ্ধবিমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ডেপুটি চিফ ডিজাইনার আরও জানান, এই যুদ্ধবিমান শুধু গোপনীয়তা নয়, শক্তিশালী যুদ্ধসক্ষমতাও বহন করে।

এর দীর্ঘ উড্ডয়ন পরিসীমা, উন্নত রাডার ও দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ফলে এটি অনেক দূর থেকেও শত্রু টার্গেট শনাক্ত ও আক্রমণ করতে পারে।

জে-২০ বিমানে ব্যবহৃত সেন্সরগুলো একসঙ্গে কাজ করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে আরো বেশি সক্ষম। এ ছাড়া এটি প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ বিমান এবং ড্রোনের সঙ্গে মিলে একটি সমন্বিত যুদ্ধ ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারে।

ডেপুটি চিফ ডিজাইনার জানান, এই বিমান শুধু প্রতিরক্ষায় নয়, আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহারের উপযুক্ত। এর একক ও যৌথ যুদ্ধক্ষমতা বিমানবাহিনীর কৌশলে নতুন ধারা এনেছে।

জে-২০-এর আকৃতি ও নকশাও আন্তর্জাতিক মানের। এতে ‘ফোরপ্লেন’ কনফিগারেশন রয়েছে, যা বিমানটির গতিশীলতা ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। মাইটি ড্রাগন নামে পরিচিত এই বিমানটি প্রথম ২০১৬ সালে চীনের চুহাই এয়ার শো-তে প্রকাশ্যে আসে এবং একই বছর দেশটির বিমানবাহিনীতে যুক্ত হয়।

এটি বিশ্বের তৃতীয় স্টিলথ ফাইটার, মার্কিন এফ-২২ ও এফ-৩৫-এর পরেই। বর্তমানে জে-২০-এর তিনটি সংস্করণ রয়েছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেয় এই তিন ধরনের যুদ্ধ বিমানই। সূত্র: চায়না ডেইলি, গ্লোবাল টাইমস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম চীনা ‘ভয়ংকর যুদ্ধবিমান’

আপডেট সময় : ১১:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সামরিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বিশ্বে এবার নতুন মাত্রা যোগ করলো চীন। দেশটির আধুনিক পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০ সহজেই শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।

ছেংতু এয়ারক্রাফ্ট ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি চিফ ডিজাইনার কং ফেং জানান, জে-২০-এর রাডার ও ইনফ্রারেড সিগন্যাল এতটাই ভালো যে এটি সুঁচের মতো শত্রুর প্রতিরক্ষা জালের ভেতর দিয়ে ঢুকে যেতে পারে।

সাম্প্রতিক সামরিক কুচকাওয়াজে দেশটির প্রদর্শিত নতুন অস্ত্রাগার ও যুদ্ধবিমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ডেপুটি চিফ ডিজাইনার আরও জানান, এই যুদ্ধবিমান শুধু গোপনীয়তা নয়, শক্তিশালী যুদ্ধসক্ষমতাও বহন করে।

এর দীর্ঘ উড্ডয়ন পরিসীমা, উন্নত রাডার ও দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ফলে এটি অনেক দূর থেকেও শত্রু টার্গেট শনাক্ত ও আক্রমণ করতে পারে।

জে-২০ বিমানে ব্যবহৃত সেন্সরগুলো একসঙ্গে কাজ করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে আরো বেশি সক্ষম। এ ছাড়া এটি প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ বিমান এবং ড্রোনের সঙ্গে মিলে একটি সমন্বিত যুদ্ধ ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারে।

ডেপুটি চিফ ডিজাইনার জানান, এই বিমান শুধু প্রতিরক্ষায় নয়, আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহারের উপযুক্ত। এর একক ও যৌথ যুদ্ধক্ষমতা বিমানবাহিনীর কৌশলে নতুন ধারা এনেছে।

জে-২০-এর আকৃতি ও নকশাও আন্তর্জাতিক মানের। এতে ‘ফোরপ্লেন’ কনফিগারেশন রয়েছে, যা বিমানটির গতিশীলতা ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। মাইটি ড্রাগন নামে পরিচিত এই বিমানটি প্রথম ২০১৬ সালে চীনের চুহাই এয়ার শো-তে প্রকাশ্যে আসে এবং একই বছর দেশটির বিমানবাহিনীতে যুক্ত হয়।

এটি বিশ্বের তৃতীয় স্টিলথ ফাইটার, মার্কিন এফ-২২ ও এফ-৩৫-এর পরেই। বর্তমানে জে-২০-এর তিনটি সংস্করণ রয়েছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেয় এই তিন ধরনের যুদ্ধ বিমানই। সূত্র: চায়না ডেইলি, গ্লোবাল টাইমস।