ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদন্ড সম্পত্তির অর্ধেক জুলাইযোদ্ধাদের একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান

বাংলাদেশে যে সরকারই থাকুক, একসঙ্গে কাজ করবে চীন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ ২১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে

বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না, এক সঙ্গে কাজ করবে চীন। মঙ্গলবার সেন্টার ফর অলটারনেটিভ আয়োজিত ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং অংশীদার চীন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থার যেকোনও পরিবর্তনে আমাদের নীতি একই রকম থাকে। এ দেশে যারাই সরকারে থাকুক, চীন তাদের অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

আমরা নির্দিষ্ট কোনও দল বা অংশীদারকে কেন্দ্র করে নীতি গ্রহণ করি না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের সব জনগণের মঙ্গলের জন্য।

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চীনের অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। চীন সম্পর্কে আমরা জানাতে চাই বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ছে জানিয়ে রাষ্ট্র বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ৫৮টি ফ্লাইট চলাচল করছে। এসব ফ্লাইটে ১১ হাজার যাত্রী বহনে সক্ষম। চীনা সরকার যাত্রীসেবা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর এবং সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ ‘ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক গবেষণার প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে সামস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও গবেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোহসিন বক্তব্য রাখেন।

রোহিঙ্গা সংকট

সেন্টার ফর অলটারনেটিভের গবেষণায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোন কোন দেশের আরও বেশি কাজ করা উচিত প্রশ্নে ৫৮ শতাংশ বাংলাদেশি মনে করেন যে, চীনের আরও বেশি কাজ করা উচিত।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা উৎসাহ বোধ করছি— বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও বড় ভূমিকা দেখতে চায়। আমি এ কারণে আমার ঘাড়ে বেশি চাপ অনুভব করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে যে সরকারই থাকুক, একসঙ্গে কাজ করবে চীন

আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে

বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না, এক সঙ্গে কাজ করবে চীন। মঙ্গলবার সেন্টার ফর অলটারনেটিভ আয়োজিত ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং অংশীদার চীন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থার যেকোনও পরিবর্তনে আমাদের নীতি একই রকম থাকে। এ দেশে যারাই সরকারে থাকুক, চীন তাদের অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

আমরা নির্দিষ্ট কোনও দল বা অংশীদারকে কেন্দ্র করে নীতি গ্রহণ করি না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের সব জনগণের মঙ্গলের জন্য।

চীনের নীতি হচ্ছে বাংলাদেশের পছন্দকে মেনে নেওয়া এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সহায়তা দিচ্ছি। আমরা আশা করি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সব ধরনের সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চীনের অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। চীন সম্পর্কে আমরা জানাতে চাই বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ছে জানিয়ে রাষ্ট্র বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ৫৮টি ফ্লাইট চলাচল করছে। এসব ফ্লাইটে ১১ হাজার যাত্রী বহনে সক্ষম। চীনা সরকার যাত্রীসেবা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর এবং সেন্টার ফর অলটারনেটিভের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ ‘ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ শীর্ষক গবেষণার প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে সাবেক রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে সামস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও গবেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোহসিন বক্তব্য রাখেন।

রোহিঙ্গা সংকট

সেন্টার ফর অলটারনেটিভের গবেষণায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোন কোন দেশের আরও বেশি কাজ করা উচিত প্রশ্নে ৫৮ শতাংশ বাংলাদেশি মনে করেন যে, চীনের আরও বেশি কাজ করা উচিত।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা উৎসাহ বোধ করছি— বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের আরও বড় ভূমিকা দেখতে চায়। আমি এ কারণে আমার ঘাড়ে বেশি চাপ অনুভব করছি।