ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

পিলখানা রহস্য জাতির সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডি দিবসকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস  হিসাবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় গ্যাজেট প্রকাশ করায় ড. মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধিন সরকারের প্রতি অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, পিলখানা ট্রাজেডির ‘ঘটনার পেছনের রহস্য’ উদঘাটন করতে গঠিত কমিশনকে দ্রুততম সময়ে তাদের রিপোর্ট জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থেই বিডিআর বিদ্রোহের নেপথ্য রহস্য জাতির জানার প্রয়োজন। সেই সাথে সেনা হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার বলে করে বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার  ‘২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডির ১৬ বছর’ উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে সামান্য সংখ্যক প্রাচীন অস্ত্র নিয়ে তৎকালীন ইপিআর বাহিনী এক অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছিল। সেই বাহিনীকে যারা বিতর্কিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকার সেই কাজটি পরিপূর্ণ করতে পারবেন বলে জনগন আশা করে। মনে রাখতে হবে, শহীদ সেনা অফিসাররা সকলেই ছিলেন জাতির সম্পদ। তাদের অভাব পূরন করা খুবই কঠিন কাজ। বাংলার মাটিতে হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদের ক্ষমা নাই, যত শক্তিধর হোক না কেন তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেই হবে। ষড়যন্ত্রকারী ও তাদের এদেশের দোসররা বাংলাদেশের পতাকা-মানচিত্র ধ্বংস করতে প্রথমেই আঘাত করেছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে।

তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা করায় জাতির দাবীর একাংশ পূরন করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে আরো বলেন, ‘জাতি এই ধরনের সিদ্ধান্তই প্রত্যাশা করছে দীর্ঘ সময় যাবত। এই সরকারের কাছে এই ধরনের সিদ্ধান্তই প্রত্যাশা করে জাতি। ট্রাজিডির ১৬ বছর পর শোক দিবস ঘোষণা করে সরকার জনমনে সৃষ্ট নানা প্রশ্ন এবং ক্ষোভ সঞ্চিত হয়েছিল তা কিছুটা লাঘব করতে সক্ষম হয়েছে।’

বিডিআর বিদ্রোহকে দেশবিরোধী বিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করে নেতৃদ্বয় বলেন, ‘বিদ্রোহের রহস্য উদঘাটনে গঠিত কমিশনের তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দ্রুততম সময়ে জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কাল ক্ষেপনের কোন সুযোগ নাই। এই রিপোর্ট প্রকাশ হলেই সবকিছু ছাপিয়ে সকল রহস্যের জট খুলবে। পিলখানা ট্র্যাজেডি কি শুধুই বিদ্রোহ না কি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড ? দেশীয় ষড়যন্ত্র না কি আন্তর্জাতিক? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দ্রুত তদন্ত কাজ শেষ করতে হবে স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে।’

তারা বলেন, ‘এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহজন পলাতক পতিত ফ্যাসীবাদী সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্রæত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনতে হবে সরকারকে। একই সাথে পিলখানার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জেলে থাকা বিডিআরের নিরপরাধ সদস্যদের মুক্তি এবং অন্যায় ভাবে যাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তাদেরকে পুর্নবহাল করতে হবে। যারা অন্যায় ভাবে কারাগারে আটক রয়েছে তাদের সবাইকে জামিন দিতে হবে। বিডিআর বিদ্রোহের সেই ঘটনায় তদন্ত কমিশনকে স্বচ্ছতার সহিত কাজ করতে হবে। সেখানে যে বির্তকিত ধারাটি রয়েছে তা বাতিল করতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পিলখানা রহস্য জাতির সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডি দিবসকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস  হিসাবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় গ্যাজেট প্রকাশ করায় ড. মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধিন সরকারের প্রতি অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, পিলখানা ট্রাজেডির ‘ঘটনার পেছনের রহস্য’ উদঘাটন করতে গঠিত কমিশনকে দ্রুততম সময়ে তাদের রিপোর্ট জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থেই বিডিআর বিদ্রোহের নেপথ্য রহস্য জাতির জানার প্রয়োজন। সেই সাথে সেনা হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার বলে করে বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার  ‘২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডির ১৬ বছর’ উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে সামান্য সংখ্যক প্রাচীন অস্ত্র নিয়ে তৎকালীন ইপিআর বাহিনী এক অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছিল। সেই বাহিনীকে যারা বিতর্কিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকার সেই কাজটি পরিপূর্ণ করতে পারবেন বলে জনগন আশা করে। মনে রাখতে হবে, শহীদ সেনা অফিসাররা সকলেই ছিলেন জাতির সম্পদ। তাদের অভাব পূরন করা খুবই কঠিন কাজ। বাংলার মাটিতে হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদের ক্ষমা নাই, যত শক্তিধর হোক না কেন তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেই হবে। ষড়যন্ত্রকারী ও তাদের এদেশের দোসররা বাংলাদেশের পতাকা-মানচিত্র ধ্বংস করতে প্রথমেই আঘাত করেছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে।

তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা করায় জাতির দাবীর একাংশ পূরন করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে আরো বলেন, ‘জাতি এই ধরনের সিদ্ধান্তই প্রত্যাশা করছে দীর্ঘ সময় যাবত। এই সরকারের কাছে এই ধরনের সিদ্ধান্তই প্রত্যাশা করে জাতি। ট্রাজিডির ১৬ বছর পর শোক দিবস ঘোষণা করে সরকার জনমনে সৃষ্ট নানা প্রশ্ন এবং ক্ষোভ সঞ্চিত হয়েছিল তা কিছুটা লাঘব করতে সক্ষম হয়েছে।’

বিডিআর বিদ্রোহকে দেশবিরোধী বিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করে নেতৃদ্বয় বলেন, ‘বিদ্রোহের রহস্য উদঘাটনে গঠিত কমিশনের তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দ্রুততম সময়ে জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কাল ক্ষেপনের কোন সুযোগ নাই। এই রিপোর্ট প্রকাশ হলেই সবকিছু ছাপিয়ে সকল রহস্যের জট খুলবে। পিলখানা ট্র্যাজেডি কি শুধুই বিদ্রোহ না কি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড ? দেশীয় ষড়যন্ত্র না কি আন্তর্জাতিক? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দ্রুত তদন্ত কাজ শেষ করতে হবে স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে।’

তারা বলেন, ‘এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহজন পলাতক পতিত ফ্যাসীবাদী সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্রæত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনতে হবে সরকারকে। একই সাথে পিলখানার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত জেলে থাকা বিডিআরের নিরপরাধ সদস্যদের মুক্তি এবং অন্যায় ভাবে যাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তাদেরকে পুর্নবহাল করতে হবে। যারা অন্যায় ভাবে কারাগারে আটক রয়েছে তাদের সবাইকে জামিন দিতে হবে। বিডিআর বিদ্রোহের সেই ঘটনায় তদন্ত কমিশনকে স্বচ্ছতার সহিত কাজ করতে হবে। সেখানে যে বির্তকিত ধারাটি রয়েছে তা বাতিল করতে হবে।’