ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

অপারেশন ডেভিল হান্ট, ১৫ দিনে গ্রেফতার ৮০৭৯

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেভিল অর্থ হচ্ছে শয়তান আর হান্ট অর্থ শিকার। যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় শয়তান শিকার করা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ডেভিল হান্ট বলতে দেশবিরোধী চক্র, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনা বোঝানো হয়েছে।

দেশজুড়ে চলছে অপারেশন ডেভিল হান্ট। ৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই অপারেশনে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১৫ দিনে ৮ হাজার ৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অপারেশন ডেভিল হান্টে সারাদেশ থেকে আরও ৭৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানের আওতায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর অন্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৫৭২ জনকে। ২৪ ঘণ্টায় মোট গ্রেফতার হয়েছেন ১ হাজার ৩৪১ জন।

দেশে তৈরি একনলা বন্দুক একটি, কার্তুজ দুইটি, রামদা চারটি, চাপাতি দুইটি, ছুরি একটি, এলজি একটি ও একটি কেঁচি উদ্ধার হয় বলে জানান এআইজি ইনামুল হক সাগর।

অপারেশন ডেভিল হান্ট একটি বিশেষ অভিযান, যা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে আওয়ামী লীগের সমর্থক সন্ত্রাসীরা। এই হামলায় নেতৃত্ব দেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। হামলার ফলে বেশ কয়েকজন হতাহত হন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অপারেশন ডেভিল হান্ট, ১৫ দিনে গ্রেফতার ৮০৭৯

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ডেভিল অর্থ হচ্ছে শয়তান আর হান্ট অর্থ শিকার। যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় শয়তান শিকার করা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ডেভিল হান্ট বলতে দেশবিরোধী চক্র, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনা বোঝানো হয়েছে।

দেশজুড়ে চলছে অপারেশন ডেভিল হান্ট। ৮ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই অপারেশনে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১৫ দিনে ৮ হাজার ৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অপারেশন ডেভিল হান্টে সারাদেশ থেকে আরও ৭৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানের আওতায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর অন্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৫৭২ জনকে। ২৪ ঘণ্টায় মোট গ্রেফতার হয়েছেন ১ হাজার ৩৪১ জন।

দেশে তৈরি একনলা বন্দুক একটি, কার্তুজ দুইটি, রামদা চারটি, চাপাতি দুইটি, ছুরি একটি, এলজি একটি ও একটি কেঁচি উদ্ধার হয় বলে জানান এআইজি ইনামুল হক সাগর।

অপারেশন ডেভিল হান্ট একটি বিশেষ অভিযান, যা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে আওয়ামী লীগের সমর্থক সন্ত্রাসীরা। এই হামলায় নেতৃত্ব দেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। হামলার ফলে বেশ কয়েকজন হতাহত হন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।