ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

নেপালকে কাঁদিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ ২৮০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারতকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

২০২৪ শেও চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

 

প্রথম চ্যাম্পিয়নের স্মৃতিটা মন থেকে মুছে যায়নি। সেটা ছিলো ২০২২। হিমালয় কন্যা নেপালকে কাঁপিয়ে ২০২৪-এর চ্যাম্পিয়ন মুকুটও বাংলাদেশের মেয়েদেরই।

অবাক তাকিয়ে রয় খেলা জগৎ। কেননা দুই বছর আগে দশরথ রঙ্গশালাতেই নেপালকে কাঁদিয়ে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ঘওে তুলেছিলো লালসবুজের বাংলাদেশ। আবারও কাঁদলো নেপাল।

কিন্তু সান্ত্বনা তাদের একটাই, যোগ্যতর দল জিতেছে। স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছেন লাল-সবুজের অদম্য মেয়েরা। দেশের ফুটবলে যা নতুন এক ইতিহাস। বড় কোনো শিরোপা জিতে সেটি ধরে রাখার কীর্তি ছেলেরা দেখাতে না পরলেও সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে পেরেছেন মেয়েরা।

বিরতির পরপরই মনিকা চাকমা বক্সের ভেতরে থেকে দারুণ প্লেসিংয়ে যখন বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন, দশরথের ভরা গ্যালারিতে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। আবারও কী আশাভঙ্গের বেদনায় পুড়তে যাচ্ছে নেপাল! এই হাহাকার ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে হিমালয়ের দেশটিতে।

কিন্তু ৫৩ মিনিটে নেপালের আক্রমণের অন্যতম প্রাণ আমিশা কার্কি বাংলাদেশের রক্ষণ চিড়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক রুপনা চাকমার পাশ দিয়ে তাঁর প্লেসিং নিস্তব্ধ গ্যালারিকে আবার জাগিয়ে তোলে।

৮১ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার ঝলকে বাংলাদেশের সামনে খুলে যায় আরেকটি ফাইনাল জয়ের পথ। রাঙামাটির মেয়ের শট নেপালের জালে জড়াতেই সেই একই দৃশ্য। গ্যালারিতে আবার নিস্তব্ধতা। তবে বেশিক্ষণ নীরব থাকেনি।

ঘরের মেয়েদের উজ্জীবিত করতে আবারও সেই নেপাল, নেপাল স্লোগান। কিন্তু কোনো কিছুই দমাতে পারেনি বাংলাদেশকে। নেপালের মাটিতে টানা দ্বিতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের সঙ্গে পিছিয়ে পড়ে হতাশার ড্র। বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠাই তখন অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। কিন্তু ভারতকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভুটান পাত্তাই পায়নি। ৭-১ গোলের বড় জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। যার সুবাদে ফাইনালে স্থানীয়দের সব প্রত্যাশা গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

নেপাল খুব খারাপ ফুটবল খেলেছে যে তা নয়, কিন্তু বাংলাদেশ গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে ভালোভাবে। বাংলাদেশের মেয়েদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কাছেই নেপালকে হারতে হয়েছে আবারও। আলাদাভাবে বলতেই হবে ঋতুপর্ণার কথা। প্রথমার্ধে কিছুটা নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে দলকে উপহার দিয়েছেন জয়।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নেপালকে কাঁদিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

 

ভারতকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

২০২৪ শেও চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

 

প্রথম চ্যাম্পিয়নের স্মৃতিটা মন থেকে মুছে যায়নি। সেটা ছিলো ২০২২। হিমালয় কন্যা নেপালকে কাঁপিয়ে ২০২৪-এর চ্যাম্পিয়ন মুকুটও বাংলাদেশের মেয়েদেরই।

অবাক তাকিয়ে রয় খেলা জগৎ। কেননা দুই বছর আগে দশরথ রঙ্গশালাতেই নেপালকে কাঁদিয়ে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ঘওে তুলেছিলো লালসবুজের বাংলাদেশ। আবারও কাঁদলো নেপাল।

কিন্তু সান্ত্বনা তাদের একটাই, যোগ্যতর দল জিতেছে। স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছেন লাল-সবুজের অদম্য মেয়েরা। দেশের ফুটবলে যা নতুন এক ইতিহাস। বড় কোনো শিরোপা জিতে সেটি ধরে রাখার কীর্তি ছেলেরা দেখাতে না পরলেও সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে পেরেছেন মেয়েরা।

বিরতির পরপরই মনিকা চাকমা বক্সের ভেতরে থেকে দারুণ প্লেসিংয়ে যখন বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন, দশরথের ভরা গ্যালারিতে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। আবারও কী আশাভঙ্গের বেদনায় পুড়তে যাচ্ছে নেপাল! এই হাহাকার ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছে হিমালয়ের দেশটিতে।

কিন্তু ৫৩ মিনিটে নেপালের আক্রমণের অন্যতম প্রাণ আমিশা কার্কি বাংলাদেশের রক্ষণ চিড়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক রুপনা চাকমার পাশ দিয়ে তাঁর প্লেসিং নিস্তব্ধ গ্যালারিকে আবার জাগিয়ে তোলে।

৮১ মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার ঝলকে বাংলাদেশের সামনে খুলে যায় আরেকটি ফাইনাল জয়ের পথ। রাঙামাটির মেয়ের শট নেপালের জালে জড়াতেই সেই একই দৃশ্য। গ্যালারিতে আবার নিস্তব্ধতা। তবে বেশিক্ষণ নীরব থাকেনি।

ঘরের মেয়েদের উজ্জীবিত করতে আবারও সেই নেপাল, নেপাল স্লোগান। কিন্তু কোনো কিছুই দমাতে পারেনি বাংলাদেশকে। নেপালের মাটিতে টানা দ্বিতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের সঙ্গে পিছিয়ে পড়ে হতাশার ড্র। বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠাই তখন অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। কিন্তু ভারতকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভুটান পাত্তাই পায়নি। ৭-১ গোলের বড় জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই। যার সুবাদে ফাইনালে স্থানীয়দের সব প্রত্যাশা গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

নেপাল খুব খারাপ ফুটবল খেলেছে যে তা নয়, কিন্তু বাংলাদেশ গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে ভালোভাবে। বাংলাদেশের মেয়েদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কাছেই নেপালকে হারতে হয়েছে আবারও। আলাদাভাবে বলতেই হবে ঋতুপর্ণার কথা। প্রথমার্ধে কিছুটা নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে দলকে উপহার দিয়েছেন জয়।