ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

করোনার প্রকোপ ফের পিছিয়ে গেল স্কুল-কলেজ খোলার দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ ২০২১ ৪১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা 

দ্বিতীয় বছরে পা রেখেই করোনার প্রকোপ উর্ধমুখি। বছর শেষে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তর হার দুই দশমিকের কাছাকাছি নেমে এসেছিলো। এতে করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভবনা উঁকি দিয়েছিলো। শুধু তাই নয়, বলা হয়েছিলো ৩০ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে। কিন্তু বর্তমানে করোনার প্রভাব ফের উর্ধমুখি। মৃত্যু ও আক্রান্তর ঘটনা দুটোই সমানতালে বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় ফের পিছিয়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দিনক্ষণ।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ মে খোলা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমনের উর্ধগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেনীকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদ উল ফিতরের পর ২৩ মে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।

এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩০ মার্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

করোনার প্রকোপ ফের পিছিয়ে গেল স্কুল-কলেজ খোলার দিন

আপডেট সময় : ০৮:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ ২০২১

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা 

দ্বিতীয় বছরে পা রেখেই করোনার প্রকোপ উর্ধমুখি। বছর শেষে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তর হার দুই দশমিকের কাছাকাছি নেমে এসেছিলো। এতে করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভবনা উঁকি দিয়েছিলো। শুধু তাই নয়, বলা হয়েছিলো ৩০ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে। কিন্তু বর্তমানে করোনার প্রভাব ফের উর্ধমুখি। মৃত্যু ও আক্রান্তর ঘটনা দুটোই সমানতালে বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় ফের পিছিয়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দিনক্ষণ।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ মে খোলা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমনের উর্ধগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেনীকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদ উল ফিতরের পর ২৩ মে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।

এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩০ মার্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ছিল।