ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

ব্রিটিশ চিকিৎসকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে কেন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘মূলত কাজের চাপ, বুলিং, হেনস্তা, টানা কাজ, ঘুম বঞ্চনা, অবকাঠামোর অভাব এবং অর্থস্বল্পতার মতো নানা কারণে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা আত্মহননের পথে হাঁটছেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পরিসংখ্যান বলছে, সাধারণ মানুষের তুলনায় চিকিৎসা পেশায় নিযুক্ত রয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের আত্মহত্যার হার দুই থেকে পাঁচ গুণ বেশি! বিশেষ করে নারী ও জুনিয়র চিকিৎসকরা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিতে।

যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক জাতীয় পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত (চিকিৎসক, নার্স, থেরাপিস্ট, ডেন্টিস্ট ও মিডওয়াইফ) ৭২ জন আত্মহত্যা করেছেন। সেই হিসেবে প্রতি সপ্তাহে একজন করে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট মানুষ আত্মহননের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

নার্সদের মধ্যে এই আত্মহত্যা প্রবণতা আরো বাড়ছে। ২০২২ সালে ব্রিটেনে ৩৬০ জনের বেশি নার্স আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

মূলত কাজের চাপ, বুলিং, হেনস্তা, টানা কাজ, ঘুম বঞ্চনা, অবকাঠামোর অভাব এবং অর্থস্বল্পতার মতো নানা কারণে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা আত্মহননের পথে হাঁটছেন।

ব্রিটিশ সরকারের অর্থ সংকোচন নীতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে চিকিৎসাখাতে। রোগীর চাপ দ্বিগুণ হলেও বাড়েনি চিকিৎসাকর্মীর সংখ্যা। বর্তমান কর্মীদের ওপরই বেশি চাপ পড়ছে।

করোনাকালে সেই সঙ্কট ও মানসিক চাপ আরো বেড়েছে। সেই তুলনায় চিকিৎসাখাতে বরাদ্দও বাড়ায়নি ব্রিটিশ সরকার।

মনোবিজ্ঞানী কেভিন টিও (যিনি ব্রিটিশ চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করেছেন) বলছেন, যেখানে জরুরি সেবা দেয়া হয় এবং হাসপাতালের বিছানা ভর্তি রোগী, সেখানে আমরা চিকিৎসাকর্মীদের বেশি মানসিক অশান্তিতে ভুগতে দেখেছি।

কেভিনের সহ লেখক গেইল কিনম্যান বলেছে, সেখানে কয়েকজন মাত্র চিকিৎসক রয়েছে। চিকিৎসা উপকরণ ও জনশক্তিও কম। কিন্তু চাপের মধ্যেও তাদের প্রত্যাশামাফিক কাজটা করে যেতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাঁধে রোগীদের জন্য আত্মত্যাগ ও আপন জীবন উজাড় করার ভার চাপিয়ে দেওয়া হয়।

আর এই চাপই চিকিৎসাকর্মীদের খুব কম বয়সে বেশি শক্তি ব্যয়ের পথে ঠেলে দেয়। অথচ যা তাদের জীবনে অনেক পরে ঘটার কথা। সূত্র আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রিটিশ চিকিৎসকদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে কেন?

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩

‘মূলত কাজের চাপ, বুলিং, হেনস্তা, টানা কাজ, ঘুম বঞ্চনা, অবকাঠামোর অভাব এবং অর্থস্বল্পতার মতো নানা কারণে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা আত্মহননের পথে হাঁটছেন’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

পরিসংখ্যান বলছে, সাধারণ মানুষের তুলনায় চিকিৎসা পেশায় নিযুক্ত রয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের আত্মহত্যার হার দুই থেকে পাঁচ গুণ বেশি! বিশেষ করে নারী ও জুনিয়র চিকিৎসকরা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিতে।

যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক জাতীয় পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত (চিকিৎসক, নার্স, থেরাপিস্ট, ডেন্টিস্ট ও মিডওয়াইফ) ৭২ জন আত্মহত্যা করেছেন। সেই হিসেবে প্রতি সপ্তাহে একজন করে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট মানুষ আত্মহননের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

নার্সদের মধ্যে এই আত্মহত্যা প্রবণতা আরো বাড়ছে। ২০২২ সালে ব্রিটেনে ৩৬০ জনের বেশি নার্স আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

মূলত কাজের চাপ, বুলিং, হেনস্তা, টানা কাজ, ঘুম বঞ্চনা, অবকাঠামোর অভাব এবং অর্থস্বল্পতার মতো নানা কারণে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা আত্মহননের পথে হাঁটছেন।

ব্রিটিশ সরকারের অর্থ সংকোচন নীতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে চিকিৎসাখাতে। রোগীর চাপ দ্বিগুণ হলেও বাড়েনি চিকিৎসাকর্মীর সংখ্যা। বর্তমান কর্মীদের ওপরই বেশি চাপ পড়ছে।

করোনাকালে সেই সঙ্কট ও মানসিক চাপ আরো বেড়েছে। সেই তুলনায় চিকিৎসাখাতে বরাদ্দও বাড়ায়নি ব্রিটিশ সরকার।

মনোবিজ্ঞানী কেভিন টিও (যিনি ব্রিটিশ চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করেছেন) বলছেন, যেখানে জরুরি সেবা দেয়া হয় এবং হাসপাতালের বিছানা ভর্তি রোগী, সেখানে আমরা চিকিৎসাকর্মীদের বেশি মানসিক অশান্তিতে ভুগতে দেখেছি।

কেভিনের সহ লেখক গেইল কিনম্যান বলেছে, সেখানে কয়েকজন মাত্র চিকিৎসক রয়েছে। চিকিৎসা উপকরণ ও জনশক্তিও কম। কিন্তু চাপের মধ্যেও তাদের প্রত্যাশামাফিক কাজটা করে যেতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাঁধে রোগীদের জন্য আত্মত্যাগ ও আপন জীবন উজাড় করার ভার চাপিয়ে দেওয়া হয়।

আর এই চাপই চিকিৎসাকর্মীদের খুব কম বয়সে বেশি শক্তি ব্যয়ের পথে ঠেলে দেয়। অথচ যা তাদের জীবনে অনেক পরে ঘটার কথা। সূত্র আল জাজিরা