ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ফের উত্তপ্ত মনিপুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হিংসা যেন থামছে না ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ইম্ফলে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফের নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠে। সেনা সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে।

মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় গুলির আঘাতে নিহত এক সাবেক নৌসেনা কর্তাকে শ্রদ্ধা জানাতে ইম্ফলে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিলেন। এতে নেতৃত্ব ছিলেন নারীরা। প্রথমে এই অফিসারের দেহ ইম্ফলের জনবহুল খোয়াইরামবন্দ বাজারে আনা হয়।

পরে মরদেহটি মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের বাসভবনের সামনে দিয়ে মিছিল করে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বিক্ষোভকারীরা।

পুলিশ যাতে তাদের গ্রেফতার করতে না পারে, তাই রাস্তার মধ্যে টায়ারও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনা এবং পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নৌসেনা কর্তার মরদেহ জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর মর্গে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার টুইটার হ্যান্ডল ‘স্পিয়ার কর্পস’-এর তরফে জানানো হয়, মণিপুরের হারাওথেল গ্রামে টহল দেওয়ার সময়ে হঠাৎই ভোরের দিকে সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে অজ্ঞাত পরিচয়ধারীরা।

সেনা সদস্যরা জানায়, পারিপার্শ্বিক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পাল্টা গুলি চালায় তারা। বিপুল সংখ্যক উন্মত্ত জনতা এলাকায় জড়ো হয়েছিল। পরে সন্ধ্যার দিকে উন্মত্ত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা।

মণিপুরে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ধারাবাহিক হিংসায় নিহতের সংখ্যা অনেক আগেই একশোর ঘর পার করেছে। ঘরছাড়া প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক করলেও পরিস্থিতিতে বদল আসেনি।

গত ৩ মে মণিপুরের জনজাতি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’ (এটিএসইউএম)-এর বিক্ষোভ-মিছিল ঘিরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে অশান্তির সূত্রপাত।

মণিপুর হাই কোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি রাজ্য সরকারকে বিবেচনার নির্দেশ দেওয়ার পরেই জনজাতি সংগঠনগুলি এর বিরোধিতায় পথে নামে। তখন থেকেই মণিপুরে সংঘাতের সূত্রপাত।

মণিপুরে মেইতেই এবং কুকি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠন ইতিমধ্যেই বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে। এমনকি পৃথক রাজ্যের দাবিও তুলেছে কুকিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফের উত্তপ্ত মনিপুর

আপডেট সময় : ১২:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

হিংসা যেন থামছে না ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ইম্ফলে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফের নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠে। সেনা সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে।

মণিপুরের কাংপোকপি জেলায় গুলির আঘাতে নিহত এক সাবেক নৌসেনা কর্তাকে শ্রদ্ধা জানাতে ইম্ফলে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়েছিলেন। এতে নেতৃত্ব ছিলেন নারীরা। প্রথমে এই অফিসারের দেহ ইম্ফলের জনবহুল খোয়াইরামবন্দ বাজারে আনা হয়।

পরে মরদেহটি মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের বাসভবনের সামনে দিয়ে মিছিল করে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বিক্ষোভকারীরা।

পুলিশ যাতে তাদের গ্রেফতার করতে না পারে, তাই রাস্তার মধ্যে টায়ারও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনা এবং পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নৌসেনা কর্তার মরদেহ জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর মর্গে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার টুইটার হ্যান্ডল ‘স্পিয়ার কর্পস’-এর তরফে জানানো হয়, মণিপুরের হারাওথেল গ্রামে টহল দেওয়ার সময়ে হঠাৎই ভোরের দিকে সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে অজ্ঞাত পরিচয়ধারীরা।

সেনা সদস্যরা জানায়, পারিপার্শ্বিক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পাল্টা গুলি চালায় তারা। বিপুল সংখ্যক উন্মত্ত জনতা এলাকায় জড়ো হয়েছিল। পরে সন্ধ্যার দিকে উন্মত্ত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা।

মণিপুরে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ধারাবাহিক হিংসায় নিহতের সংখ্যা অনেক আগেই একশোর ঘর পার করেছে। ঘরছাড়া প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক করলেও পরিস্থিতিতে বদল আসেনি।

গত ৩ মে মণিপুরের জনজাতি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’ (এটিএসইউএম)-এর বিক্ষোভ-মিছিল ঘিরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে অশান্তির সূত্রপাত।

মণিপুর হাই কোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি রাজ্য সরকারকে বিবেচনার নির্দেশ দেওয়ার পরেই জনজাতি সংগঠনগুলি এর বিরোধিতায় পথে নামে। তখন থেকেই মণিপুরে সংঘাতের সূত্রপাত।

মণিপুরে মেইতেই এবং কুকি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠন ইতিমধ্যেই বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে। এমনকি পৃথক রাজ্যের দাবিও তুলেছে কুকিরা।