ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

সমুদ্র কূটনীতি জোরদারে শেখ হাসিনার ছয় কৌশল উপস্থাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুই দিনব্যাপী ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স (আইওসি) উদ্বোধনকালে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে শেখ হাসিনা ভারত মহাসাগরে সহনশীল ভবিষ্যতের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলতে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ওপর জোর দেন

 

অনলাইন ডেস্ক

ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় সমুদ্র কূটনীতি জোরদারসহ ছয়টি কৌশল উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে শেখ হাসিনা ভারত মহাসাগরে সহনশীল ভবিষ্যতের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলতে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ওপর জোর দেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই দিনব্যাপী ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স (আইওসি) উদ্বোধনকালে শেখ হাসিনা টেকসই পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমিতে প্রত্যাবাসনে সক্রিয় বৈশ্বিক সহায়তা কামনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, এক রাতে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ এই অঞ্চলকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং সকলকে এবার পাশে দাঁড়ানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, অংশীদারিত্ব ও সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা আর সবার সাথে বন্ধুত্বের নীতিতেই কূটনৈতিক সফলতা পাচ্ছে বাংলাদেশ।

ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে সন্ধ্যায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ থেকে এলডিসি থেকে উত্তরণ- সব পরীক্ষায় শতভাগ নম্বরে পাশ করে এগুচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সমুদ্র কূটনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। জলবায়ু সংকটের প্রভাবে তৈরি হওয়া দুর্যোগ মোকাবেলার পথ তৈরি করতে হবে।

বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা ছোট বদ্বীপ বাংলাদেশের ভৌগলিক গুরুত্ব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রাচ্য-পাশ্চাত্য-জল-স্থলে সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রেখে টেকসই অর্থনীতির দেশ গড়বার অর্থনৈতিক কূটনীতির সফলতার আলাপ দেশে দেশে।

তিনি বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি এ অঞ্চলে একটি বড় মানবিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছে। এখন, আমরা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ ও টেকসই উপায়ে তাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবাসনের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সক্রিয় সমর্থন চাই।

এই অঞ্চলে ‘শান্তি সংস্কৃতি’ এবং জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন জোরদারের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের জন্য বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের বিষয়ে যথাযথ মনোযোগ দেওয়া উচিত।

বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। এ সম্মেলনে মরিশাসের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ২৫ দেশের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সমুদ্র কূটনীতি জোরদারে শেখ হাসিনার ছয় কৌশল উপস্থাপন

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

দুই দিনব্যাপী ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স (আইওসি) উদ্বোধনকালে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে শেখ হাসিনা ভারত মহাসাগরে সহনশীল ভবিষ্যতের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলতে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ওপর জোর দেন

 

অনলাইন ডেস্ক

ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় সমুদ্র কূটনীতি জোরদারসহ ছয়টি কৌশল উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে শেখ হাসিনা ভারত মহাসাগরে সহনশীল ভবিষ্যতের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলতে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ওপর জোর দেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই দিনব্যাপী ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স (আইওসি) উদ্বোধনকালে শেখ হাসিনা টেকসই পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমিতে প্রত্যাবাসনে সক্রিয় বৈশ্বিক সহায়তা কামনা করেন।

এসময় তিনি বলেন, এক রাতে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ এই অঞ্চলকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং সকলকে এবার পাশে দাঁড়ানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, অংশীদারিত্ব ও সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা আর সবার সাথে বন্ধুত্বের নীতিতেই কূটনৈতিক সফলতা পাচ্ছে বাংলাদেশ।

ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে সন্ধ্যায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ থেকে এলডিসি থেকে উত্তরণ- সব পরীক্ষায় শতভাগ নম্বরে পাশ করে এগুচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সমুদ্র কূটনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। জলবায়ু সংকটের প্রভাবে তৈরি হওয়া দুর্যোগ মোকাবেলার পথ তৈরি করতে হবে।

বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা ছোট বদ্বীপ বাংলাদেশের ভৌগলিক গুরুত্ব সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রাচ্য-পাশ্চাত্য-জল-স্থলে সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রেখে টেকসই অর্থনীতির দেশ গড়বার অর্থনৈতিক কূটনীতির সফলতার আলাপ দেশে দেশে।

তিনি বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি এ অঞ্চলে একটি বড় মানবিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছে। এখন, আমরা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ ও টেকসই উপায়ে তাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবাসনের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের সক্রিয় সমর্থন চাই।

এই অঞ্চলে ‘শান্তি সংস্কৃতি’ এবং জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন জোরদারের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের জন্য বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের বিষয়ে যথাযথ মনোযোগ দেওয়া উচিত।

বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। এ সম্মেলনে মরিশাসের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ২৫ দেশের প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।