আইএমএফের ঋণ বাংলাদেশের জন্য ব্রিদিং স্পেস: শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ২৬১ বার পড়া হয়েছে
ওয়াশিংটনের হোটেল রিজ কার্টলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আইএমএফের এমডি ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। ছবি: বাসস
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন ‘ব্রিদিং স্পেস’ হিসেবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে ওয়াশিংটনের হোটেল রিজ কার্টলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।
পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা আপনাদের যে লোনটা নিয়েছি আইএমএফের, একটা ‘ব্রিদিং স্পেস’ হিসেবে।
সম্প্রতি আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইএমএফ এমডি শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যা কোভিড-১৯ মহামারীর পরে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছে।
আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উদ্ধৃতি দিয়ে মোমেন বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে (তার সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে) একটি রোল মডেল যা করোনাভাইরাস মহামারীর পরেও তার অর্থনীতিকে পরিণত করে।
আইএমএফ প্রধান বলেন, সকল প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুসংযোগ স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ক্রিস্টালনা কোভিড-১৯ মহামারীতেও ম্যাক্রো অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রশংসা করেছেন।
শেখ হাসিনা তার দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তার সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে আইএমএফ প্রধানকে অবহিত করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন একদিনে হয়নি, বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফল।
শেখ হাসিনা বলেন, পরিবর্তনের পর কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে চান তার পরিকল্পনা তৈরি করেন এবং ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেন।
তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের পদক্ষেপ সম্পর্কে আইএমএফ প্রধানকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়নের যাত্রায় আইএমএফের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সহায়তা অব্যাহত রাখার কামনা করেন।
বাংলাদেশ বর্তমানে আইএমএফ-এর সাথে ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি কর্মসূচি নিয়ে নিযুক্ত রয়েছে, যা অনেক দেশ বছরের পর বছর আলোচনার পরও ঋণ নিতে পারছে না। বাসস


















