ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

সনদ জালিয়াতি,  বিমানের নারী পাইলটের দেশ ত্যাগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩ ৪৪২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন নারী পাইলট সনদ জালিয়াতি করে চাকরী পেয়েছেন। এমন অভিযোগের যখন তদন্ত শুরু করেন কর্তৃপক্ষ, তখনই সাদিয়া আহমেদ নামের নারী পাইলট কর্তৃপক্ষ বরাবরে শারীরিক অসুস্থতার ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে দেশ ছেড়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, সাদিয়ার স্বামী বিমানের চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন সাজিদ আহমেদ। যিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে স্ত্রীকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন। এই অভিযোগে তাকেও চাকরিচ্যুত করেন কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, সনদ জালিয়াতি করেই বাংলাদেশের বিমানের পাইলট হয়েছিলেন। এই নারী পাইলটের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জাল শিক্ষাসনদে পাইলট হয়েছেন।

অভিযোগ পেয়েই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফার্স্ট অফিসার সাদিয়া আহমেদের কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) বাতিল করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিমান যখন ঘটনার তদন্তে মাঠে নেমেছে, ঠিক তখনই ‘সিভিল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ বিমানকে ই-মেইলে চিঠি পাঠিয়ে দেশ ত্যাগ করেন। সূত্রের খবর, শারীরিকভাবে অসুস্থতার কথা জানিয়েছে ই-মেইল করে দেশ ছাড়েন। শিক্ষাসনদ জালিয়াতি ও মানবিক বিভাগে পড়ে পাইলট হয়েছিলেন সাদিয়া।

তবে মার্চে মাসের শেষের দিকে শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, তাকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে। সাদিয়া আহমেদ আর কোনো ফ্লাইট চালাতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, বিমানের ফার্স্ট অফিসার সাদিয়া আহমেদ উচ্চ মাধ্যমিকে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করে জাল শিক্ষাসনদ জমা দিয়েছিলেন।

অথচ, কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকায় বলা আছে, বাণিজ্যিক পাইলটদের অবশ্যই এইচএসসি (বিজ্ঞান) বা বাধ্যতামূলক পদার্থবিদ্যা এবং গণিতের সঙ্গে সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। তিনি ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীন শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মানবিক শাখা থেকে দ্বিতীয় বিভাগে পাস করেছিলেন। কিন্তু তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছেন জমা দেওয়া সনদ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সনদ জালিয়াতি,  বিমানের নারী পাইলটের দেশ ত্যাগ

আপডেট সময় : ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন নারী পাইলট সনদ জালিয়াতি করে চাকরী পেয়েছেন। এমন অভিযোগের যখন তদন্ত শুরু করেন কর্তৃপক্ষ, তখনই সাদিয়া আহমেদ নামের নারী পাইলট কর্তৃপক্ষ বরাবরে শারীরিক অসুস্থতার ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে দেশ ছেড়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, সাদিয়ার স্বামী বিমানের চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন সাজিদ আহমেদ। যিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে স্ত্রীকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন। এই অভিযোগে তাকেও চাকরিচ্যুত করেন কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, সনদ জালিয়াতি করেই বাংলাদেশের বিমানের পাইলট হয়েছিলেন। এই নারী পাইলটের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জাল শিক্ষাসনদে পাইলট হয়েছেন।

অভিযোগ পেয়েই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফার্স্ট অফিসার সাদিয়া আহমেদের কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) বাতিল করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিমান যখন ঘটনার তদন্তে মাঠে নেমেছে, ঠিক তখনই ‘সিভিল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ বিমানকে ই-মেইলে চিঠি পাঠিয়ে দেশ ত্যাগ করেন। সূত্রের খবর, শারীরিকভাবে অসুস্থতার কথা জানিয়েছে ই-মেইল করে দেশ ছাড়েন। শিক্ষাসনদ জালিয়াতি ও মানবিক বিভাগে পড়ে পাইলট হয়েছিলেন সাদিয়া।

তবে মার্চে মাসের শেষের দিকে শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, তাকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে। সাদিয়া আহমেদ আর কোনো ফ্লাইট চালাতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, বিমানের ফার্স্ট অফিসার সাদিয়া আহমেদ উচ্চ মাধ্যমিকে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করে জাল শিক্ষাসনদ জমা দিয়েছিলেন।

অথচ, কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকায় বলা আছে, বাণিজ্যিক পাইলটদের অবশ্যই এইচএসসি (বিজ্ঞান) বা বাধ্যতামূলক পদার্থবিদ্যা এবং গণিতের সঙ্গে সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। তিনি ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীন শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মানবিক শাখা থেকে দ্বিতীয় বিভাগে পাস করেছিলেন। কিন্তু তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছেন জমা দেওয়া সনদ রয়েছে।