ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভিক্ষুক বানাতে চায়, তারা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না?

শুধু কি নামাজ পড়াবে আর নিজে একটি করে মাদ্রাসা তৈরি করবে?’

যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিখতে দেবে না, তারা তো দেখি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করে। ফেসবুকে মিথ্যাচার তারাই তো বেশি করে। তাহলে প্রযুক্তি ইসলামবিরোধী কাজ করার জন্য? মিথ্যাচার করার জন্য? তারা কি ইসলামের সেবক?’

 

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পড়ানোর বিরোধিতাকারী ও জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতারা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভিক্ষুক বানাতে চায়। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না? শুধু কি নামাজ পড়াবে আর নিজে একটি করে মাদ্রাসা তৈরি করবে?’

শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিখতে দেবে না, তারা তো দেখি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করে। ফেসবুকে মিথ্যাচার তারাই তো বেশি করে। তাহলে প্রযুক্তি ইসলামবিরোধী কাজ করার জন্য? মিথ্যাচার করার জন্য? তারা কি ইসলামের সেবক?’

দীপু মনি বলেন, মানুষ একসময় হেঁটে, উটের পিঠে চড়ে হজ করতে যেত। এখন তো আমরা বিমানে যাই। তাহলে কি বিমানে যাওয়া বন্ধ করে দেব? মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করে দেব? পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলে উঠব না? আমার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ডাক্তার হবে না? ইঞ্জিনিয়ার, বৈমানিক হবে না? শুধু কি মসজিদে নামাজ পড়াবে? না হলে নিজে আরেকটা মাদ্রাসা খুলবে?’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে জ্ঞান তা হঠাৎ করে এসে পড়েছে, নাকি শিখতে হয়েছে? আল্লাহ প্রত্যেককে একটি (মস্তিষ্ক) সুপার কম্পিউটার দিয়েছেন, সেটি কাজে লাগাতে হবে না? তিনি বলেন, ‘এটা যে ব্যবহার করব না, এই কথা যারা বলে, তাদের চেয়ে বড় ইসলামের শত্রু আর হতে পারে না।’

ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সোমবার স্বাধীনতা মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত শিক্ষক সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দীপু মনি বলেন, পাশের দেশের ছবি দিয়ে, ফটোশপ করে বলা হলো, এটা আমাদের বাচ্চাদের পড়ানো হচ্ছে, যে বই দেশেই পড়ানো হয় না। একেবারে কদর্য ভাষায় মিথ্যাচার। মিথ্যাচার কি ইসলাম সমর্থন করে? সমর্থন করে না। শিক্ষকদের, মন্ত্রীকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ, হুমকি দেওয়া, এর কোনোটাই কি ইসলাম সমর্থন করে?’

ভুল থাকলে সংশোধন করব। যেখানে ভুল পেয়েছি, সেখানে সংশোধন করেছি। আরও ভুল থাকলে সংশোধন করব। কমিটিও গঠন করা হয়েছে, কমিটি দেখবে। ২৬টি বই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তৈরি করা সহজ কাজ নয়, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কায়সার আহমেদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম, স্বাধীনতা মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. তেলাওয়াত হোসেন খান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভিক্ষুক বানাতে চায়, তারা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না?

আপডেট সময় : ০৯:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না?

শুধু কি নামাজ পড়াবে আর নিজে একটি করে মাদ্রাসা তৈরি করবে?’

যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিখতে দেবে না, তারা তো দেখি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করে। ফেসবুকে মিথ্যাচার তারাই তো বেশি করে। তাহলে প্রযুক্তি ইসলামবিরোধী কাজ করার জন্য? মিথ্যাচার করার জন্য? তারা কি ইসলামের সেবক?’

 

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পড়ানোর বিরোধিতাকারী ও জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতারা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভিক্ষুক বানাতে চায়। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কি বিজ্ঞান প্রযুক্তি পড়বে না? শুধু কি নামাজ পড়াবে আর নিজে একটি করে মাদ্রাসা তৈরি করবে?’

শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিখতে দেবে না, তারা তো দেখি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বেশি ব্যবহার করে। ফেসবুকে মিথ্যাচার তারাই তো বেশি করে। তাহলে প্রযুক্তি ইসলামবিরোধী কাজ করার জন্য? মিথ্যাচার করার জন্য? তারা কি ইসলামের সেবক?’

দীপু মনি বলেন, মানুষ একসময় হেঁটে, উটের পিঠে চড়ে হজ করতে যেত। এখন তো আমরা বিমানে যাই। তাহলে কি বিমানে যাওয়া বন্ধ করে দেব? মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করে দেব? পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলে উঠব না? আমার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ডাক্তার হবে না? ইঞ্জিনিয়ার, বৈমানিক হবে না? শুধু কি মসজিদে নামাজ পড়াবে? না হলে নিজে আরেকটা মাদ্রাসা খুলবে?’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে জ্ঞান তা হঠাৎ করে এসে পড়েছে, নাকি শিখতে হয়েছে? আল্লাহ প্রত্যেককে একটি (মস্তিষ্ক) সুপার কম্পিউটার দিয়েছেন, সেটি কাজে লাগাতে হবে না? তিনি বলেন, ‘এটা যে ব্যবহার করব না, এই কথা যারা বলে, তাদের চেয়ে বড় ইসলামের শত্রু আর হতে পারে না।’

ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সোমবার স্বাধীনতা মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত শিক্ষক সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দীপু মনি বলেন, পাশের দেশের ছবি দিয়ে, ফটোশপ করে বলা হলো, এটা আমাদের বাচ্চাদের পড়ানো হচ্ছে, যে বই দেশেই পড়ানো হয় না। একেবারে কদর্য ভাষায় মিথ্যাচার। মিথ্যাচার কি ইসলাম সমর্থন করে? সমর্থন করে না। শিক্ষকদের, মন্ত্রীকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ, হুমকি দেওয়া, এর কোনোটাই কি ইসলাম সমর্থন করে?’

ভুল থাকলে সংশোধন করব। যেখানে ভুল পেয়েছি, সেখানে সংশোধন করেছি। আরও ভুল থাকলে সংশোধন করব। কমিটিও গঠন করা হয়েছে, কমিটি দেখবে। ২৬টি বই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তৈরি করা সহজ কাজ নয়, বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কায়সার আহমেদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম, স্বাধীনতা মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. তেলাওয়াত হোসেন খান প্রমুখ।