ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

সাগরিকা জামালীর কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩ ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নি:সঙ্গ জলার গল্প

জলাটি খুবই নি:সঙ্গ বড়ই একা ।
চারিদিকের শ্যামলিমায় ঢাকা
জলাটি ভালবাসে ঠান্ডা ভোর
আর রোদেলা বিকেল !
ওর বুকে দাঁড়িয়ে একটি মূলীবাঁশ ।
সেই বাঁশের উপর রোজ উড়ে এসে বসে
এক ছোট্ট রঙীন মাছরাঙা ।
মাছরাঙাটিকে খুব ভালবাসে
সবুজ রঙের জলাটি !
দু’জনের বন্ধুত্ব হয় ভারী ! অবাক চোখে
মাছরাঙাটির সৌন্দর্য দেখে
শীতল সবুজ রঙের জলা !
পাখীটিকে আদর ক’রে খেতে দেয়
তার বুকের ভিতর সাঁতরে বেড়ানো
কিছু অস্থির মগ্নতা ভঙ্গকারী মাছ ।
মাছরাঙার ঠোঁট ওর শান্ত জল
স্পর্শ করে দিলে তার বুক জুড়ায় !
পুন্জীভুত মেঘ থেকে ঝরে পড়া
বৃষ্টি ধারা জলে খেলা করে–
জলা আর রঙীন মাছরাঙা ।
এমনি ভাবে কাটে তাদের বেলা —
তারপর ঘনিয়ে আসা সন্ধায় বন্ধুটিকে
বিদায় দিয়ে জলাটি খুব কাঁদে !
কেঁদে কেঁদে ভ’রে ওঠে ওর বুক–
ছোট্ট জলা, প্রতীক্ষা করে থাকে
আর একটি ভোরের জন্যে,
আর একটি রোদেলা বিকেলের জন্যে !!!

ব্রাডিয়াট সেন্টারে ১ঘন্টার গানের ছবি২০১১

জীবনভর কঠোর সংগ্রামী এবং প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করতে সাহসিনী হার না মানা নারীর নাম সাগরীকা জামালী। রবীন্দ্র ভারতী থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন সুনামের সঙ্গে। অসম্ভব মেধাবী সাগরিকা বাংলাদেশের প্রতিথযশা রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পীই নন, একাধারি গবেষক, উপস্থাপক, বাচিক শিল্পী, সংগঠক এবং সমাজচিন্তিক। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে অনর্গল বলে যেতে পারেন। রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্রতিটি কোনায় কোনায় তার বিচরণ। প্রকৃতির মতো উদার তার কণ্ঠ। নিরহংকার শিল্পী নিজেকে কখনও অবলা ভাবেননি। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনের অনুপ্রেরণা বাবা-মা। বিয়ের পর স্বামী তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। সমাজের অস্বচ্ছল ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প মহিয়ষী করেছে তাকে। এই মানবিক গুণের কারণেই তিনি সমাজে শুভবোধের সারথি। তিনি মনে করেন ‘মানব সেবাই ধর্ম, কর্মই জীবন। এই দায়িত্ববোধ সমাজের সাম্য, শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এই কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই সমাজের মলিনতা দূর হয়। তার সীমিত সামর্থের মধ্যেই সেবাব্রত’র মন্ত্রে দু’বাহু বাড়িয়ে দিয়েছেন। তার দুয়ার সকাল-সন্ধ্যা-রাত অষ্টপ্রহরব্যাপী পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য খোলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাগরিকা জামালীর কবিতা

আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩

নি:সঙ্গ জলার গল্প

জলাটি খুবই নি:সঙ্গ বড়ই একা ।
চারিদিকের শ্যামলিমায় ঢাকা
জলাটি ভালবাসে ঠান্ডা ভোর
আর রোদেলা বিকেল !
ওর বুকে দাঁড়িয়ে একটি মূলীবাঁশ ।
সেই বাঁশের উপর রোজ উড়ে এসে বসে
এক ছোট্ট রঙীন মাছরাঙা ।
মাছরাঙাটিকে খুব ভালবাসে
সবুজ রঙের জলাটি !
দু’জনের বন্ধুত্ব হয় ভারী ! অবাক চোখে
মাছরাঙাটির সৌন্দর্য দেখে
শীতল সবুজ রঙের জলা !
পাখীটিকে আদর ক’রে খেতে দেয়
তার বুকের ভিতর সাঁতরে বেড়ানো
কিছু অস্থির মগ্নতা ভঙ্গকারী মাছ ।
মাছরাঙার ঠোঁট ওর শান্ত জল
স্পর্শ করে দিলে তার বুক জুড়ায় !
পুন্জীভুত মেঘ থেকে ঝরে পড়া
বৃষ্টি ধারা জলে খেলা করে–
জলা আর রঙীন মাছরাঙা ।
এমনি ভাবে কাটে তাদের বেলা —
তারপর ঘনিয়ে আসা সন্ধায় বন্ধুটিকে
বিদায় দিয়ে জলাটি খুব কাঁদে !
কেঁদে কেঁদে ভ’রে ওঠে ওর বুক–
ছোট্ট জলা, প্রতীক্ষা করে থাকে
আর একটি ভোরের জন্যে,
আর একটি রোদেলা বিকেলের জন্যে !!!

ব্রাডিয়াট সেন্টারে ১ঘন্টার গানের ছবি২০১১

জীবনভর কঠোর সংগ্রামী এবং প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করতে সাহসিনী হার না মানা নারীর নাম সাগরীকা জামালী। রবীন্দ্র ভারতী থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন সুনামের সঙ্গে। অসম্ভব মেধাবী সাগরিকা বাংলাদেশের প্রতিথযশা রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পীই নন, একাধারি গবেষক, উপস্থাপক, বাচিক শিল্পী, সংগঠক এবং সমাজচিন্তিক। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে অনর্গল বলে যেতে পারেন। রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্রতিটি কোনায় কোনায় তার বিচরণ। প্রকৃতির মতো উদার তার কণ্ঠ। নিরহংকার শিল্পী নিজেকে কখনও অবলা ভাবেননি। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনের অনুপ্রেরণা বাবা-মা। বিয়ের পর স্বামী তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। সমাজের অস্বচ্ছল ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প মহিয়ষী করেছে তাকে। এই মানবিক গুণের কারণেই তিনি সমাজে শুভবোধের সারথি। তিনি মনে করেন ‘মানব সেবাই ধর্ম, কর্মই জীবন। এই দায়িত্ববোধ সমাজের সাম্য, শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এই কর্তব্য পালনের মধ্য দিয়েই সমাজের মলিনতা দূর হয়। তার সীমিত সামর্থের মধ্যেই সেবাব্রত’র মন্ত্রে দু’বাহু বাড়িয়ে দিয়েছেন। তার দুয়ার সকাল-সন্ধ্যা-রাত অষ্টপ্রহরব্যাপী পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য খোলা।