China-Bangladesh : চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে, আশা প্রতিমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী মো.শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে ঢাকায় চীনের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রবিবার সাক্ষাৎ করেন: ছবি বিদেশমন্ত্রক
শাহরিয়ার আলম আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের মেয়াদে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সংযোগ, কোভিড পরিস্থিতিসহ পারস্পরিক স্বার্থের দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আন্তরিক আলোচনা করেছে
নিজস্বব প্রতিনিধি, ঢাকা
বাংলাদেশের সঙ্গে পিপিপি নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং। রবিবার বিদেশমন্ত্রকে প্রতিমন্ত্রী মো.শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে ঢাকায় চীনের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
বিদেশমন্ত্রকের এক সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে. গত বছরের ২১ আগস্ট ঢাকায় বাংলাদেশ ও চীনের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে চীনের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই পিপিপি নিয়ে রূপরেখা চুক্তির প্রস্তাব দেন। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এটিকে নতুন প্রস্তাব এবং চীনের প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা পিপিপিতে কাজ ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বলেছি। চীন এতে সম্মতি দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চীনা নববর্ষ দিবসে নতুন রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি করোনাভাইরাসের মহামারি মোকাবিলায় এবং চীন থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাবাসন এবং পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের চীনে প্রত্যাবর্তনে সহায়তায় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
আলোচনায় শাহরিয়ার আলম আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের মেয়াদে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সংযোগ, কোভিড পরিস্থিতিসহ পারস্পরিক স্বার্থের দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে আন্তরিক আলোচনা করেছে।
চীনের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন এবং চীন থেকে শিল্প স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে বিবেচনা করার জন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী। এসময় রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনে আলোচনার একটি প্ল্যাটফর্ম জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় চীনকে ধন্যবাদ জানান।



















