ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

Joshimath :  ভারী বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাত, শঙ্কায় প্রহর গুনছে জোশীমঠবাসী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

প্রবল তুষারপাতে বরফে ঢেকেছে জোশীমঠ। ছবি পিটিআই।

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

হিমালয়ের পাজরঘেষা জোশীমঠে শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত। সঙ্গযোগ হয়েছে বৃষ্টি। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও বেড়ে গিয়ে নতুন করে ভূমিধস নামতে পারে এলাকায়। এমন আশঙ্কার মধ্যেই প্রহরগুণছেন জোশীমঠবাসী।

গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি জোশীমঠে। কিন্তু সম্প্রতি এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত, সঙ্গে বৃষ্টি। তাতে নতুন করে বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা।

শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরপদে স্থানে সরিয়ে নিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। সেখানকার প্রায় ৬০০ বাড়িতে অল্প ফাটল থাকায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে।

জোশীমঠ সংঘর্ষ বাঁচাও কমিটি’র আহ্বায়ক অতুল সতি এ প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রশাসনের তরফে এখনও ৬০০টি বাড়িকে বিপদগ্রস্ত বলে উল্লেখ করা হয়নি। তাদের আশঙ্কা, বাড়িগুলির বাসিন্দারা নতুন করে বিপদের মুখে পড়তে পারেন।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর প্রধান রঞ্জিত কুমার সিন্হাকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। আর্জির সুরে তিনি বলেছেন, মিস্টার সিন্হা, দয়া করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিপদের মোকাবিলা করুন। কোনও সংস্থার কথায় চলবেন না। সংস্থা বলতে অতুল এনটিপিসেই বোঝাতে চেয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগেও তিনি জোশীমঠের বিপর্যয়ের জন্য এনটিপিসির জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে দুষেছিলেন।

অতুল তাঁর আশঙ্কার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, তুষারপাত এবং বৃষ্টির কারণে ভূগর্ভস্থ জলের প্রবাহপথগুলি আবার জেগে উঠছে। এর ফলে ভূমিধসের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই কিছু জায়গায় ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন অতুল। তাঁর আরও দাবি, বিপদগ্রস্ত বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও, প্রশাসন এখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি।

এ দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দু’টি ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল ভাঙার কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, তারা সমস্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে রাখছে। আরও কয়েক দিন ওই অঞ্চলে তুষারপাত চলার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Joshimath :  ভারী বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাত, শঙ্কায় প্রহর গুনছে জোশীমঠবাসী

আপডেট সময় : ০৫:০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

হিমালয়ের পাজরঘেষা জোশীমঠে শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত। সঙ্গযোগ হয়েছে বৃষ্টি। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও বেড়ে গিয়ে নতুন করে ভূমিধস নামতে পারে এলাকায়। এমন আশঙ্কার মধ্যেই প্রহরগুণছেন জোশীমঠবাসী।

গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি জোশীমঠে। কিন্তু সম্প্রতি এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত, সঙ্গে বৃষ্টি। তাতে নতুন করে বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা।

শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরপদে স্থানে সরিয়ে নিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। সেখানকার প্রায় ৬০০ বাড়িতে অল্প ফাটল থাকায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে।

জোশীমঠ সংঘর্ষ বাঁচাও কমিটি’র আহ্বায়ক অতুল সতি এ প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রশাসনের তরফে এখনও ৬০০টি বাড়িকে বিপদগ্রস্ত বলে উল্লেখ করা হয়নি। তাদের আশঙ্কা, বাড়িগুলির বাসিন্দারা নতুন করে বিপদের মুখে পড়তে পারেন।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর প্রধান রঞ্জিত কুমার সিন্হাকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। আর্জির সুরে তিনি বলেছেন, মিস্টার সিন্হা, দয়া করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিপদের মোকাবিলা করুন। কোনও সংস্থার কথায় চলবেন না। সংস্থা বলতে অতুল এনটিপিসেই বোঝাতে চেয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগেও তিনি জোশীমঠের বিপর্যয়ের জন্য এনটিপিসির জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে দুষেছিলেন।

অতুল তাঁর আশঙ্কার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, তুষারপাত এবং বৃষ্টির কারণে ভূগর্ভস্থ জলের প্রবাহপথগুলি আবার জেগে উঠছে। এর ফলে ভূমিধসের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই কিছু জায়গায় ফাটল ক্রমশ চওড়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন অতুল। তাঁর আরও দাবি, বিপদগ্রস্ত বাড়িগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও, প্রশাসন এখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি।

এ দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দু’টি ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল ভাঙার কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, তারা সমস্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে রাখছে। আরও কয়েক দিন ওই অঞ্চলে তুষারপাত চলার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।