ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

748 Rohingya deaths : সাগরে ডুবে ও খাদ্যের অভাবে ৭৪৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটু ভালো দিন যাপনের আশায় রোহিঙ্গারা ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিচ্ছেন। যার শুরুটা হয় ২০১৭ সালে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা’

অনলাইন ডেস্ক

ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথ পাড়ি দিতে গিয়ে সাগরে ডুবে ও খাদ্যের অভাবে ৭৪৮ রোহিঙ্গার মারা গিয়েছে। বিদায়ী বছরেই আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ৩৪৮ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন। যাত্রাপথে খাদ্য পানিয় জলের অভাবে মৃত্যু হয়েছে আরও প্রায় ২০০ জনের।

মঙ্গলবার রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটি বলছে, সাগরপথে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নৌযাত্রার হার প্রতি বছর আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ২০২২ সালেই পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বেড়েছে ৫ গুণ। বিদায়ী বছর দুই দেশ থেকে পালানো রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৩ হাজার ৫শর বেশি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে জীবন বাঁচাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিয়ানমার থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিচ্ছে। দিন দিন সংখ্যাটা বাড়ছে। রোহিঙ্গারা ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথ পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবি এবং অনাহারে মারা যাবার ঘটনা ঘটছে।

ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতেই রোহিঙ্গারা সাগরপথে পাড়ি জমাচ্ছেন। ইউএনএইচসিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় গেলো বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত ৩৪৮ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু। খাদ্য-পানীজলের অভাব ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৮০ জনের।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কেবলমাত্র নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটু ভালো দিন যাপনের আশায় এসব রোহিঙ্গা ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিচ্ছেন। যার শুরুটা হয় ২০১৭ সালে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

748 Rohingya deaths : সাগরে ডুবে ও খাদ্যের অভাবে ৭৪৮ রোহিঙ্গার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

‘নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটু ভালো দিন যাপনের আশায় রোহিঙ্গারা ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিচ্ছেন। যার শুরুটা হয় ২০১৭ সালে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা’

অনলাইন ডেস্ক

ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথ পাড়ি দিতে গিয়ে সাগরে ডুবে ও খাদ্যের অভাবে ৭৪৮ রোহিঙ্গার মারা গিয়েছে। বিদায়ী বছরেই আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ৩৪৮ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন। যাত্রাপথে খাদ্য পানিয় জলের অভাবে মৃত্যু হয়েছে আরও প্রায় ২০০ জনের।

মঙ্গলবার রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটি বলছে, সাগরপথে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নৌযাত্রার হার প্রতি বছর আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ২০২২ সালেই পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বেড়েছে ৫ গুণ। বিদায়ী বছর দুই দেশ থেকে পালানো রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৩ হাজার ৫শর বেশি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে জীবন বাঁচাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিয়ানমার থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিচ্ছে। দিন দিন সংখ্যাটা বাড়ছে। রোহিঙ্গারা ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথ পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবি এবং অনাহারে মারা যাবার ঘটনা ঘটছে।

ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতেই রোহিঙ্গারা সাগরপথে পাড়ি জমাচ্ছেন। ইউএনএইচসিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় গেলো বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত ৩৪৮ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু। খাদ্য-পানীজলের অভাব ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৮০ জনের।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কেবলমাত্র নিরাপত্তা, সুরক্ষা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটু ভালো দিন যাপনের আশায় এসব রোহিঙ্গা ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দিচ্ছেন। যার শুরুটা হয় ২০১৭ সালে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা।