ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Kashmir International Sufism Conference  : কাশ্মীরে প্রথম আন্তর্জাতিক সুফিবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৩ ৩১৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্ব সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সুফিরা আধ্যাত্মিক বার্তার জন্য বেশ বিখ্যাত। আর এর মাধ্যমে কাশ্মীরি ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

সম্মেলনে জার্মানি, তুরস্ক, ফ্রান্স, তানজানিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালসহ ৯টিরও বেশি দেশ থেকে সুফি থেকে শুরু করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ধর্মতত্ত্ববিদ, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ও ইসলামিক পণ্ডিতসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হিন্দুবাদী, শিখবাদী ও অন্যান্য ধর্মের পণ্ডিতরা সম্মেলনে অংশ নেন।

 

শ্রীনগর (জম্মু ও কাশ্মীর) [ভারত] (এএনআই)  জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথমবারের মতো সুফিবাদের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মীয় গুরু এবং বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন। প্রখ্যাত এনজিও ভয়েস ফর পিস এন্ড জাস্টিস এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সুফিরা আধ্যাত্মিক বার্তার জন্য বেশ বিখ্যাত। আর এর মাধ্যমে কাশ্মীরি ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

সম্মেলনে জার্মানি, তুরস্ক, ফ্রান্স, তানজানিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালসহ ৯টিরও বেশি দেশ থেকে সুফি থেকে শুরু করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ধর্মতত্ত্ববিদ, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ও ইসলামিক পণ্ডিতসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হিন্দুবাদী, শিখবাদী ও অন্যান্য ধর্মের পণ্ডিতরা সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনে কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হিসেবে এখানকার সুফিবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়। গত কয়েক দশক ধরে কাশ্মীর হলো সংঘাত ও সহিংসতার কেন্দ্রস্থল। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সহাবস্থান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের জন্য যে কাশ্মীরের এক সময় সুনাম ছিল, সেই ঐতিহ্য গুঁড়িয়ে দিতে ইসলামপন্থি উগ্রবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অতিথিদের স্বাগত জানান এনজিওটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শেহেরিয়ার দার। তিনি বলেন, কাশ্মীরে এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য আনন্দের।

সম্মেলনে মালদ্বীপ ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, আধুনিক বিশ্বে মানবতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো গুরুত্বপূর্ণ এবং সব মানুষকে সম্প্রীতি ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বাস করা উচিত।

সম্মেলনে বাংলাদেশের সুফি নেতা সৈয়দ তৈয়বুল বাশার বলেন, কাশ্মীরে এটা আমার প্রথম সফর।
এখানকার মানুষের অতিথিপরায়ণতা দেখে আমি মুগ্ধ। আজকে মানবতাকে বাঁচানো ও সেবা করা খুব দরকার। আর শান্তির জন্য সুফিবাদ প্রচারের চেয়ে ভালো আর কী আছে, এটি মানুষের মধ্যে শান্িিত সহিষ্ণুতা এবং মানুষের মধ্য ঐক্য তৈরি করে।

একজন মুসলিম হিসেবে এই বার্তাটি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। আমরা যেকোনো ধরনের উগ্রবাদ ও চরমপন্থার তীব্র বিরোধিতা করি। পরবর্তী প্রজন্ম এবং সমগ্র মানববতাকে রক্ষার জন্য এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করা উচিত।

ভারত ও বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং ঐক্যের জন্য মঙ্গল কামনায় প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সম্মেলনটি শেষ হয়। এ ছাড়া দোয়া-ই-রোশনি অনুষ্ঠানটিও সব প্রতিনিধিরা উদযাপন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Kashmir International Sufism Conference  : কাশ্মীরে প্রথম আন্তর্জাতিক সুফিবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৩

বিশ্ব সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সুফিরা আধ্যাত্মিক বার্তার জন্য বেশ বিখ্যাত। আর এর মাধ্যমে কাশ্মীরি ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

সম্মেলনে জার্মানি, তুরস্ক, ফ্রান্স, তানজানিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালসহ ৯টিরও বেশি দেশ থেকে সুফি থেকে শুরু করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ধর্মতত্ত্ববিদ, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ও ইসলামিক পণ্ডিতসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হিন্দুবাদী, শিখবাদী ও অন্যান্য ধর্মের পণ্ডিতরা সম্মেলনে অংশ নেন।

 

শ্রীনগর (জম্মু ও কাশ্মীর) [ভারত] (এএনআই)  জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথমবারের মতো সুফিবাদের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মীয় গুরু এবং বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেন। প্রখ্যাত এনজিও ভয়েস ফর পিস এন্ড জাস্টিস এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সুফিরা আধ্যাত্মিক বার্তার জন্য বেশ বিখ্যাত। আর এর মাধ্যমে কাশ্মীরি ও ভারতীয় সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এ সম্মেলন আয়োজিত হয়।

সম্মেলনে জার্মানি, তুরস্ক, ফ্রান্স, তানজানিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালসহ ৯টিরও বেশি দেশ থেকে সুফি থেকে শুরু করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ধর্মতত্ত্ববিদ, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ও ইসলামিক পণ্ডিতসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হিন্দুবাদী, শিখবাদী ও অন্যান্য ধর্মের পণ্ডিতরা সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনে কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হিসেবে এখানকার সুফিবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়। গত কয়েক দশক ধরে কাশ্মীর হলো সংঘাত ও সহিংসতার কেন্দ্রস্থল। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সহাবস্থান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের জন্য যে কাশ্মীরের এক সময় সুনাম ছিল, সেই ঐতিহ্য গুঁড়িয়ে দিতে ইসলামপন্থি উগ্রবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অতিথিদের স্বাগত জানান এনজিওটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শেহেরিয়ার দার। তিনি বলেন, কাশ্মীরে এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করতে পারা আমাদের জন্য আনন্দের।

সম্মেলনে মালদ্বীপ ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, আধুনিক বিশ্বে মানবতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো গুরুত্বপূর্ণ এবং সব মানুষকে সম্প্রীতি ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বাস করা উচিত।

সম্মেলনে বাংলাদেশের সুফি নেতা সৈয়দ তৈয়বুল বাশার বলেন, কাশ্মীরে এটা আমার প্রথম সফর।
এখানকার মানুষের অতিথিপরায়ণতা দেখে আমি মুগ্ধ। আজকে মানবতাকে বাঁচানো ও সেবা করা খুব দরকার। আর শান্তির জন্য সুফিবাদ প্রচারের চেয়ে ভালো আর কী আছে, এটি মানুষের মধ্যে শান্িিত সহিষ্ণুতা এবং মানুষের মধ্য ঐক্য তৈরি করে।

একজন মুসলিম হিসেবে এই বার্তাটি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। আমরা যেকোনো ধরনের উগ্রবাদ ও চরমপন্থার তীব্র বিরোধিতা করি। পরবর্তী প্রজন্ম এবং সমগ্র মানববতাকে রক্ষার জন্য এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করা উচিত।

ভারত ও বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং ঐক্যের জন্য মঙ্গল কামনায় প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সম্মেলনটি শেষ হয়। এ ছাড়া দোয়া-ই-রোশনি অনুষ্ঠানটিও সব প্রতিনিধিরা উদযাপন করেন।