ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Gulshan-Banani : দূষণের কবলে ঢাকার  গুলশান-বনানী লেক ও খাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২ ২৭১ বার পড়া হয়েছে

অধিকাংশ পয়োবর্জ্যের লাইন ঢাকার গুলশান-বনানী লেক ও খালে : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে।

জানা গিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ বাসাবাড়ির কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেনের মাধ্যমে সরাসারি এসব পয়োবর্জ্য পড়ছে খাল বা লেকে গিয়ে মিশেছে। তাতে পরিবেশ দূষণ হয়ে লেক বা খাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণ ঠেকাতে রোডম্যাপ অনুসারে এলাকায় বাড়িতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

করপোরেশন সূত্রের খবর, মূলত বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইনের ব্যবস্থাপনা করে ঢাকা ওয়াসা। কিন্তু এসব এলাকায় বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে লাইন না থাকায় নিরাপদ স্যানিটেশন এবং লেক-খাল বাঁচাতে ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, আইসিডিডিআরবি, ইউনিসেফ, ডিএনসিসি এবং গুলশান, বনানী সোসাইটির লোকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে।

ইউনিসেফের অর্থায়নে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার বাড়িতে চালানো জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িতেই এই ‘কার্যকর সেপটিক ট্যাংক’ নেই। অথচ এসব এলাকার মানুষের জন্য এটি বানানো সম্ভব।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে এসব পয়োবর্জ্য লেকে পড়ছে। আবার এগুলো নদীতেও যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কিছু হচ্ছে। প্রত্যেক বাসাবাড়িতে যদি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানো যায় তাহলে আমাদের খাল ও লেকগুলো বেঁচে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Gulshan-Banani : দূষণের কবলে ঢাকার  গুলশান-বনানী লেক ও খাল

আপডেট সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২

‘বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে’

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বনেদী এলাকা বলেই জায়গাটির পরিচয়। এলাকাটির পাশ ঘেষে লেক, রয়েছে খালও। সব মিলিয়ে নান্দনিক এলাকার দাবিদার। কিন্তু ঢাকা শহরের এই বিলাশবহুল এলাকার অধিকাংশ বাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইন লেক ও খালের মধ্যে এসে মিশেছে।

জানা গিয়েছে, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ বাসাবাড়ির কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের ড্রেনের মাধ্যমে সরাসারি এসব পয়োবর্জ্য পড়ছে খাল বা লেকে গিয়ে মিশেছে। তাতে পরিবেশ দূষণ হয়ে লেক বা খাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণ ঠেকাতে রোডম্যাপ অনুসারে এলাকায় বাড়িতে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

করপোরেশন সূত্রের খবর, মূলত বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্যের লাইনের ব্যবস্থাপনা করে ঢাকা ওয়াসা। কিন্তু এসব এলাকায় বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে লাইন না থাকায় নিরাপদ স্যানিটেশন এবং লেক-খাল বাঁচাতে ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, আইসিডিডিআরবি, ইউনিসেফ, ডিএনসিসি এবং গুলশান, বনানী সোসাইটির লোকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে।

ইউনিসেফের অর্থায়নে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার বাড়িতে চালানো জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িতেই এই ‘কার্যকর সেপটিক ট্যাংক’ নেই। অথচ এসব এলাকার মানুষের জন্য এটি বানানো সম্ভব।

উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানান, কার্যকর সেপটিক ট্যাংক না থাকায় সিটি করপোরেশনের সারফেস ড্রেনের মাধ্যমে এসব পয়োবর্জ্য লেকে পড়ছে। আবার এগুলো নদীতেও যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কিছু হচ্ছে। প্রত্যেক বাসাবাড়িতে যদি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বসানো যায় তাহলে আমাদের খাল ও লেকগুলো বেঁচে যাবে।