ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

kidney disease : কিডনি রোগে বাংলাদেশে বছরে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটির বেশি লোক কোনো না কোনো কিডনির রোগে ভুগছে।

কিডনির রোগের প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবে প্রোটিন নির্গত হওয়া, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ।

প্রস্রাবে সংক্রমণ, পাথরজনিত রোগ, জন্মগত কিডনির রোগ, ওষুধজনিত কিডনির রোগ, ভেজাল খাদ্য, পলিসিস্টিক কিডনির রোগ অন্যতম।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশে কিডনি বিকল আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের তথ্যে বলা হয়েছে, কিডনি বিকলের সংখ্যা প্রতিবছরে ৪০ হাজার। ডায়ালিসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপনের অক্ষমতায় ৭৫ শতাংশ তথা অর্ধলক্ষ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ঢাকায় কিডনি ফাউন্ডেশনের ১৮তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে এমন ভয়াবহ তথ্য জানালেন, ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ।

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের জানান, বিশ্বের ৮৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন। সংখ্যার দিক থেকে যা কিনা ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটির বেশি লোক কোনো না কোনো কিডনির রোগে ভুগছে। এসব রোগীর মধ্যে ৪০ হাজার রোগীর প্রতিবছর কিডনি বিকল হয়। এদের ৭৫ শতাংশই মারা যায় ডায়ালিসিস বা কিডনি সংযোজনের চিকিৎসার অভাবে। হঠাৎ করে কিডনি বিকল হয়েও প্রতিবছর আরো ২০ হাজার রোগীর মৃত্যু ঘটে।

কিডনির রোগের প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবে প্রোটিন নির্গত হওয়া, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। প্রস্রাবে সংক্রমণ, পাথরজনিত রোগ, জন্মগত কিডনির রোগ, ওষুধজনিত কিডনির রোগ, ভেজাল খাদ্য, পলিসিস্টিক কিডনির রোগ অন্যতম।

ডা. হারুন আর রশিদ বলেন, কিডনির রোগের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগে আক্রান্ত মানুষের হার সবচেয়ে বেশি এবং পুরুষের তুলনায় নারীরা কিডনির রোগে বেশি ভুগে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব রোগী অপুষ্টিতে ভোগে, তারা ডায়ালিসিস শুরু করার পর বেশিদিন ভালো থাকতে পারে না।

দুই দিনের সম্মেলনের প্রথম দিন বিদেশি অতিথিদের মধ্যে অংশ নেন ইউকে রয়াল লন্ডন হাসপাতালের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাগদি ইয়াকুব, ভারতের উমাকান্ত প্রস্টি, যুক্তরাজ্যের ডা. স্ট্যানলি ফ্যান, নেপালের ডা. ক্লারা পাউডেল ও অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার শর্মা এবং মেডিক্যাল এডুকেশন বার্টস হেলথ এনএইচএস ট্রাস্টের পরিচালক ডা. ক্যাথরিন বেনেট রিচার্ড।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. মো. শরফুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাংলাদেশে কিডনির রোগ ও কিডনি অকেজো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুটি কিডনি অকেজো হয়ে গেলে রোগীকে বেঁচে থাকার জন্য ডায়ালিসিস অথবা কিডনি সংযোজন করতে হয়। বাংলাদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও খুবই ব্যয়বহুল এবং সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

kidney disease : কিডনি রোগে বাংলাদেশে বছরে ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০১:০০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটির বেশি লোক কোনো না কোনো কিডনির রোগে ভুগছে।

কিডনির রোগের প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবে প্রোটিন নির্গত হওয়া, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ।

প্রস্রাবে সংক্রমণ, পাথরজনিত রোগ, জন্মগত কিডনির রোগ, ওষুধজনিত কিডনির রোগ, ভেজাল খাদ্য, পলিসিস্টিক কিডনির রোগ অন্যতম।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশে কিডনি বিকল আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের তথ্যে বলা হয়েছে, কিডনি বিকলের সংখ্যা প্রতিবছরে ৪০ হাজার। ডায়ালিসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপনের অক্ষমতায় ৭৫ শতাংশ তথা অর্ধলক্ষ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ঢাকায় কিডনি ফাউন্ডেশনের ১৮তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে এমন ভয়াবহ তথ্য জানালেন, ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ।

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের জানান, বিশ্বের ৮৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন। সংখ্যার দিক থেকে যা কিনা ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটির বেশি লোক কোনো না কোনো কিডনির রোগে ভুগছে। এসব রোগীর মধ্যে ৪০ হাজার রোগীর প্রতিবছর কিডনি বিকল হয়। এদের ৭৫ শতাংশই মারা যায় ডায়ালিসিস বা কিডনি সংযোজনের চিকিৎসার অভাবে। হঠাৎ করে কিডনি বিকল হয়েও প্রতিবছর আরো ২০ হাজার রোগীর মৃত্যু ঘটে।

কিডনির রোগের প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবে প্রোটিন নির্গত হওয়া, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। প্রস্রাবে সংক্রমণ, পাথরজনিত রোগ, জন্মগত কিডনির রোগ, ওষুধজনিত কিডনির রোগ, ভেজাল খাদ্য, পলিসিস্টিক কিডনির রোগ অন্যতম।

ডা. হারুন আর রশিদ বলেন, কিডনির রোগের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কিডনির রোগে আক্রান্ত মানুষের হার সবচেয়ে বেশি এবং পুরুষের তুলনায় নারীরা কিডনির রোগে বেশি ভুগে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব রোগী অপুষ্টিতে ভোগে, তারা ডায়ালিসিস শুরু করার পর বেশিদিন ভালো থাকতে পারে না।

দুই দিনের সম্মেলনের প্রথম দিন বিদেশি অতিথিদের মধ্যে অংশ নেন ইউকে রয়াল লন্ডন হাসপাতালের অধ্যাপক মুহাম্মদ মাগদি ইয়াকুব, ভারতের উমাকান্ত প্রস্টি, যুক্তরাজ্যের ডা. স্ট্যানলি ফ্যান, নেপালের ডা. ক্লারা পাউডেল ও অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার শর্মা এবং মেডিক্যাল এডুকেশন বার্টস হেলথ এনএইচএস ট্রাস্টের পরিচালক ডা. ক্যাথরিন বেনেট রিচার্ড।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. মো. শরফুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাংলাদেশে কিডনির রোগ ও কিডনি অকেজো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুটি কিডনি অকেজো হয়ে গেলে রোগীকে বেঁচে থাকার জন্য ডায়ালিসিস অথবা কিডনি সংযোজন করতে হয়। বাংলাদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও খুবই ব্যয়বহুল এবং সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।