ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Mother Worship : মাতৃ আরাধনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ 
পৃথিবীটা মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে
মসজিদে আজান হোক
ঘন্টা বাজুক মন্দিরে”
অষ্টমী ও নবমীর পূজা
সন্ধিপূজা ও বলিদান
অষ্টমীর দিন অপরাজিতা,বেল, বকুল,কুদ ও জবা ফুল সহযোগে পূজা করার বিশেষ নিয়ম প্রচলিত।এছাড়া প্রতিদিন থাকে শিউলি ফুল।অষ্টমী পুজো সমাপ্ত হলে অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে শুরু হয় সন্ধি পুজো।এই পুজোয় থাকে কিছু বিশেষ উপাচার।
এই দিন কুড়ি কেজি ওজনের চালের ভোগ দেওয়া হয় তার ওপর দেওয়া হয় একটি রাজ নাড়ু। মাকে সোনার নথ ও রূপার নোয়া দেওয়া হয় নতুন বস্ত্রের সঙ্গে।একশো আট পদ্ম ও একশো আট প্রদীপ সহযোগে দেবীর আরাধনা করা হয়। পুজো শেষে ব্রাহ্মণ কে দান করা হয়। প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী গুরু বাড়িতে বাসন শয্যা দান করার প্রথা প্রচলিত।পূর্বে সন্ধী পুজো শুরু হবার পাঁচ মিনিট পূর্বে বাড়ির কামান দাগা হতো।এবং সন্ধি পুজো শুরু হবার সময় আবার দাগা হতো।এতে এলকাবাসী বুঝতেন পারতেন যে পুজো শুরু হবার সময় এসেছে এবং সকলে যোগ দিতেন।
সন্ধি পুজো শেষ হবার পর যে অনুষ্ঠানটি হয় সেটি হলো বলি।তবে ঘোষ বাড়ির সদস্যরা হিংস পন্থায় বিশ্বাসী নন।কারণ এখা পুজো সম্পন্ন হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।তাই এখানে অহিংস বলির জন্য ব্যাবহার করা হয় চালকুমড়া,আখ ও আদা।শোনা যায় মা এসময় চামুণ্ডা রূপ ধরেন এবং সেই কারণে মার আসন থেকে বলির স্থান পর্যন্ত পথ শূন্য করে রাখা হয়। যাতে মা বলি গ্রহণ করতে পারেন।বলির পর নবমীর পুজো শুরু হয়।নবমীর পুজো শেষে হোম ও পুজো উদযাপন হয়।
পুজোর প্রতিদিন মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়।লুচি ভাজা মিষ্টি নৈবেদ্য সহ ভোগ নিবেদন করা হয়।বাড়িতে কেবল মাত্র অষ্টমী বাদে সব দিন আমিষ খাবার প্রথা প্রচলিত।নবমীর পুজো শেষে বাইরের অতিথি দের খাওয়াবার নিয়ম আছে।শোনা যায় পূর্বে পাঁঠার মাংস সহ মহা ভোজ প্রচলিত ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Mother Worship : মাতৃ আরাধনা

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২
ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ 
পৃথিবীটা মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে
মসজিদে আজান হোক
ঘন্টা বাজুক মন্দিরে”
অষ্টমী ও নবমীর পূজা
সন্ধিপূজা ও বলিদান
অষ্টমীর দিন অপরাজিতা,বেল, বকুল,কুদ ও জবা ফুল সহযোগে পূজা করার বিশেষ নিয়ম প্রচলিত।এছাড়া প্রতিদিন থাকে শিউলি ফুল।অষ্টমী পুজো সমাপ্ত হলে অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে শুরু হয় সন্ধি পুজো।এই পুজোয় থাকে কিছু বিশেষ উপাচার।
এই দিন কুড়ি কেজি ওজনের চালের ভোগ দেওয়া হয় তার ওপর দেওয়া হয় একটি রাজ নাড়ু। মাকে সোনার নথ ও রূপার নোয়া দেওয়া হয় নতুন বস্ত্রের সঙ্গে।একশো আট পদ্ম ও একশো আট প্রদীপ সহযোগে দেবীর আরাধনা করা হয়। পুজো শেষে ব্রাহ্মণ কে দান করা হয়। প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী গুরু বাড়িতে বাসন শয্যা দান করার প্রথা প্রচলিত।পূর্বে সন্ধী পুজো শুরু হবার পাঁচ মিনিট পূর্বে বাড়ির কামান দাগা হতো।এবং সন্ধি পুজো শুরু হবার সময় আবার দাগা হতো।এতে এলকাবাসী বুঝতেন পারতেন যে পুজো শুরু হবার সময় এসেছে এবং সকলে যোগ দিতেন।
সন্ধি পুজো শেষ হবার পর যে অনুষ্ঠানটি হয় সেটি হলো বলি।তবে ঘোষ বাড়ির সদস্যরা হিংস পন্থায় বিশ্বাসী নন।কারণ এখা পুজো সম্পন্ন হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।তাই এখানে অহিংস বলির জন্য ব্যাবহার করা হয় চালকুমড়া,আখ ও আদা।শোনা যায় মা এসময় চামুণ্ডা রূপ ধরেন এবং সেই কারণে মার আসন থেকে বলির স্থান পর্যন্ত পথ শূন্য করে রাখা হয়। যাতে মা বলি গ্রহণ করতে পারেন।বলির পর নবমীর পুজো শুরু হয়।নবমীর পুজো শেষে হোম ও পুজো উদযাপন হয়।
পুজোর প্রতিদিন মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়।লুচি ভাজা মিষ্টি নৈবেদ্য সহ ভোগ নিবেদন করা হয়।বাড়িতে কেবল মাত্র অষ্টমী বাদে সব দিন আমিষ খাবার প্রথা প্রচলিত।নবমীর পুজো শেষে বাইরের অতিথি দের খাওয়াবার নিয়ম আছে।শোনা যায় পূর্বে পাঁঠার মাংস সহ মহা ভোজ প্রচলিত ছিল।