ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Cox’s Bazar : কক্সবাজারে পর্যটকদের নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যটকদের নির্যাতন চালাতো তারা ছবি সংগ্রহ

 

এটা কি পর্যটন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়ার ষড়যন্ত্র?

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এখানে প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটকের পদভারে মুখরিত থাকে। কিন্তু এই পর্যটন নগরীতে গড়ে ওঠে একটি অপরাধ চক্র। তারা পর্যটকদের জিম্মি করে নির্যাতন চালাতো। এমন একটি টর্চার সেল শিউলি কটেজ। এই কটেজ থেকে ঘটনার প্রধান পাণ্ডা লোকমানসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অবশ্য এটা নতুন নয়। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীকে ট্যুরিস্ট পুলিশ গ্রেপ্তার।

পুলিশ জানায় শুক্রবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে শিউলি কটেজের মালিক লোকমান সরোয়ার (৩৬) এবং তার সহযোগী ও হোটেল-মোটেল জোনের চিহ্নিত দালাল আবদুল গফুর (৩০)কে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, ধৃত লোকমান পর্যটকদের নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। কটেজ জোনের অপরাধচক্র ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাদের ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

রেজাউল করিম জানান, কটেজ জোনের আশপাশের বেশ কয়েকজনের নাম বলেছে, যারা নিয়মিত এসব কটেজ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হিসেবে এসব চাঁদা নেয় তারা। পর্যটকদের আবাসিক হোটেল হিসেবে ব্যবহারের আড়ালে মোট ৬টি কটেজে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা হয়। এসব কটেজে টার্গেট করে দালালদের মাধ্যমে পর্যটক আনা হয় এবং নারী ও মাদক দিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয়। লোকমানের দেওয়া তথ্য মতে অন্যরা হচ্ছে, পাহাড়তলীর ইমরান, লাইটহাউজ পাড়ার রমজান, কালু, খোকা, বাহারছড়ার সুমন, আজিজ, মিজান এরা প্রত্যেকেই সপ্তাহে ১০০০ টাকা করে চাঁদা নিয়ে তাকে।

তিনি আরও জানান, বাহারছড়ার পাগলা রফিক, লাইটহাউজ পাড়ার কালু, মুনসুর, মাহফুজ, খালেক ও জমির, পাহাড়তলীর নাছির প্রত্যেকেই সপ্তাহে ৫০০ টাকা করে চাঁদা নেয় বলে লোকমান স্বীকার করেন।

প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ টর্চার সেলের ঘটনায় মামলার পর ইতোপূর্বে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয় ১৩ আগস্ট দিনগত রাত ১১টায়। কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে রাশেদুল ইসলাম (২৫) ও মো. সাকিল (২২)কে গ্রেফতার করা হয়

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Cox’s Bazar : কক্সবাজারে পর্যটকদের নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের

আপডেট সময় : ১১:২১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

পর্যটকদের নির্যাতন চালাতো তারা ছবি সংগ্রহ

 

এটা কি পর্যটন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়ার ষড়যন্ত্র?

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এখানে প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটকের পদভারে মুখরিত থাকে। কিন্তু এই পর্যটন নগরীতে গড়ে ওঠে একটি অপরাধ চক্র। তারা পর্যটকদের জিম্মি করে নির্যাতন চালাতো। এমন একটি টর্চার সেল শিউলি কটেজ। এই কটেজ থেকে ঘটনার প্রধান পাণ্ডা লোকমানসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। অবশ্য এটা নতুন নয়। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীকে ট্যুরিস্ট পুলিশ গ্রেপ্তার।

পুলিশ জানায় শুক্রবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে শিউলি কটেজের মালিক লোকমান সরোয়ার (৩৬) এবং তার সহযোগী ও হোটেল-মোটেল জোনের চিহ্নিত দালাল আবদুল গফুর (৩০)কে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, ধৃত লোকমান পর্যটকদের নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। কটেজ জোনের অপরাধচক্র ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাদের ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

রেজাউল করিম জানান, কটেজ জোনের আশপাশের বেশ কয়েকজনের নাম বলেছে, যারা নিয়মিত এসব কটেজ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হিসেবে এসব চাঁদা নেয় তারা। পর্যটকদের আবাসিক হোটেল হিসেবে ব্যবহারের আড়ালে মোট ৬টি কটেজে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা হয়। এসব কটেজে টার্গেট করে দালালদের মাধ্যমে পর্যটক আনা হয় এবং নারী ও মাদক দিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয়। লোকমানের দেওয়া তথ্য মতে অন্যরা হচ্ছে, পাহাড়তলীর ইমরান, লাইটহাউজ পাড়ার রমজান, কালু, খোকা, বাহারছড়ার সুমন, আজিজ, মিজান এরা প্রত্যেকেই সপ্তাহে ১০০০ টাকা করে চাঁদা নিয়ে তাকে।

তিনি আরও জানান, বাহারছড়ার পাগলা রফিক, লাইটহাউজ পাড়ার কালু, মুনসুর, মাহফুজ, খালেক ও জমির, পাহাড়তলীর নাছির প্রত্যেকেই সপ্তাহে ৫০০ টাকা করে চাঁদা নেয় বলে লোকমান স্বীকার করেন।

প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ টর্চার সেলের ঘটনায় মামলার পর ইতোপূর্বে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয় ১৩ আগস্ট দিনগত রাত ১১টায়। কক্সবাজার সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে রাশেদুল ইসলাম (২৫) ও মো. সাকিল (২২)কে গ্রেফতার করা হয়