ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

India-Bangladesh Transit :  ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে নিয়মিত পণ্যপরিহন শুরু হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

‘অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত’

ভারতের আরও একটি ট্রানজিট চালান পৌছাবে উত্তপূর্ব ভারতের অসমে। ভারতের পণ্যের চালানটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছেছে।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা 

বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহন সহজিকরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করে ভারত। এর আগে মোংলা বন্দর হয়ে পদ্মাসেতু দিয়ে অসমে গিয়েছে পণ্যচালান। অন্যদিকে সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর হয়ে ত্রিপুরা ও দক্ষিণ অসমে জ্বলানি পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

চুক্তি অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের ৮টি রুট রয়েছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা, সিলেটের তামাবিল হয়ে ডাউকি, সিলেটের শেওলা হয়ে অসমের সুতারকান্দি, কুমিল্লার বিবিরবাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর এবং এর বিপরীতে চারটি রুটে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য একটি এসওপি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অনুযায়ী ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আখাউড়া-আগরতলা রুটে প্রথম ট্রায়াল রান পরিচালিত হয়। কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে চারটি কন্টেইনার আগরতলায় পরিবাহিত হয়।

এই চুক্তির অধীনে পণ্যের ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্ট ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হবে।

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পণ্যপরিবহনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত মাশুল দিয়ে ভারত ট্রানজিট পণ্য পরিবহন করছে। পাশাপাশি পণ্যপরিহনে বাংলাদেশের ট্রাক ব্যবহার করা হবে। এতে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

India-Bangladesh Transit :  ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে নিয়মিত পণ্যপরিহন শুরু হবে

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি ভারতীয় হাইকমিশনের সৌজন্যে

‘অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত’

ভারতের আরও একটি ট্রানজিট চালান পৌছাবে উত্তপূর্ব ভারতের অসমে। ভারতের পণ্যের চালানটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌছেছে।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা 

বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহন সহজিকরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করে ভারত। এর আগে মোংলা বন্দর হয়ে পদ্মাসেতু দিয়ে অসমে গিয়েছে পণ্যচালান। অন্যদিকে সিলেটের তামাবিল স্থল বন্দর হয়ে ত্রিপুরা ও দক্ষিণ অসমে জ্বলানি পণ্য পরিবহন করছে ভারত।

চুক্তি অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের ৮টি রুট রয়েছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা, সিলেটের তামাবিল হয়ে ডাউকি, সিলেটের শেওলা হয়ে অসমের সুতারকান্দি, কুমিল্লার বিবিরবাজার হয়ে শ্রীমন্তপুর এবং এর বিপরীতে চারটি রুটে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য একটি এসওপি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অনুযায়ী ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আখাউড়া-আগরতলা রুটে প্রথম ট্রায়াল রান পরিচালিত হয়। কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে চারটি কন্টেইনার আগরতলায় পরিবাহিত হয়।

এই চুক্তির অধীনে পণ্যের ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্ট ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হবে।

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের পণ্যপরিবহনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত মাশুল দিয়ে ভারত ট্রানজিট পণ্য পরিবহন করছে। পাশাপাশি পণ্যপরিহনে বাংলাদেশের ট্রাক ব্যবহার করা হবে। এতে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

অল্প কিছু দিনের মধ্যে আরও একটি পণ্যচালান চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তামাবিল-ডাউকি রুটে দিয়ে ভারতে যাবে। ট্রায়াল রান সম্পন্ন হলে, উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে নিয়মিত পণ্য পরিবাহন করবে ভারত।