ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Dr. Momen : মার্কিন প্রতিবেদনের সমালোচনায় ড. মোমেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২ ৯৪৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন: ফাইল ছবি

‘যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ড. মোমেন আমার দেশে  কথা বলার অধিকার হরণ হয়নি, তোমার দেশে কথা বলার অধিকার হরণ হয়’

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশের মানবাধিকার সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের কোথাও কথা বলার অধিকার হরণ হয়নি।

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে অবস্থানের পর ২০ এপ্রিল দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ড. মোমেন।

বিদেশমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট আইনের তুলনায় বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বেশ নমনীয়। আমরা আইন-কানুন করি নিজেদের বুদ্ধিতে। যদি কোথাও দুর্বলতা থাকে, আমরা সেটি নিয়ে তোমাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তারপর দেখা যাবে কোথায় দুর্বলতা।

ড. মোমেন বলেন, মানুষের স্বাধীনতা অবশ্যই রেগুলেটেড তথা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। কারণ রেগুলেশন না থাকলে নৈরাজ্য হবে। আমি তাদের বলেছি, আমাদের মানবাধিকারে অগ্রাধিকার পায় কীভাবে দুই বেলা মানুষকে খাবার দিতে পারি। খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে পারি।

মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, নির্বাচন নিয়ে এমন আলোচনা হয়নি। বৈঠকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র বেশ স্বচ্ছ। বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

বাংলাদেশে ৭২ শতাংশের নিচে কখনো ভোট পরে না। বাংলাদেশে নির্বাচন একটি উৎসব। যুক্তরাষ্ট্রের মতো জোর করে মানুষ আনতে হয় না। অন্যদের আমাদের গণতন্ত্র শেখানো ঠিক হবে না।

ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সিনেমা হলে গিয়ে বোমা, বোমা বলতে পারবো না। যদি বলি তাহলে তোমরা আমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে। তোমার দেশে অনুমতি ছাড়া কোনও আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তুমি ঠিক করো যে কোন এলাকায় থাকতে হবে এবং এর বাইরে যাওয়া যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র পত্রিকা দেখে তথ্য সংগ্রহ করে এবং এনজিওরা তাদের তথ্য সরবরাহ করে। আরেক দল তাদের বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে। সেজন্য খারাপ চিত্র দিলে তারা খুব খুশি হয়।

ড. মোমেন বলেন, আমাদের অনেক বাঙালি আমেরিকান অ্যাম্বাসিতে চাকরি করে। যারা প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেন। ওনারা খালি খোঁজেন কোথায় আমাদের দোষ। দুনিয়ার সব দেশে অসুবিধা হয়, কিন্তু দেখবেন দোষ পড়ে শুধু বাংলাদেশের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Dr. Momen : মার্কিন প্রতিবেদনের সমালোচনায় ড. মোমেন

আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন: ফাইল ছবি

‘যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ড. মোমেন আমার দেশে  কথা বলার অধিকার হরণ হয়নি, তোমার দেশে কথা বলার অধিকার হরণ হয়’

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশের মানবাধিকার সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের কোথাও কথা বলার অধিকার হরণ হয়নি।

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে অবস্থানের পর ২০ এপ্রিল দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ড. মোমেন।

বিদেশমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট আইনের তুলনায় বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বেশ নমনীয়। আমরা আইন-কানুন করি নিজেদের বুদ্ধিতে। যদি কোথাও দুর্বলতা থাকে, আমরা সেটি নিয়ে তোমাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তারপর দেখা যাবে কোথায় দুর্বলতা।

ড. মোমেন বলেন, মানুষের স্বাধীনতা অবশ্যই রেগুলেটেড তথা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে। কারণ রেগুলেশন না থাকলে নৈরাজ্য হবে। আমি তাদের বলেছি, আমাদের মানবাধিকারে অগ্রাধিকার পায় কীভাবে দুই বেলা মানুষকে খাবার দিতে পারি। খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে পারি।

মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, নির্বাচন নিয়ে এমন আলোচনা হয়নি। বৈঠকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র বেশ স্বচ্ছ। বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

বাংলাদেশে ৭২ শতাংশের নিচে কখনো ভোট পরে না। বাংলাদেশে নির্বাচন একটি উৎসব। যুক্তরাষ্ট্রের মতো জোর করে মানুষ আনতে হয় না। অন্যদের আমাদের গণতন্ত্র শেখানো ঠিক হবে না।

ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সিনেমা হলে গিয়ে বোমা, বোমা বলতে পারবো না। যদি বলি তাহলে তোমরা আমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে। তোমার দেশে অনুমতি ছাড়া কোনও আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তুমি ঠিক করো যে কোন এলাকায় থাকতে হবে এবং এর বাইরে যাওয়া যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র পত্রিকা দেখে তথ্য সংগ্রহ করে এবং এনজিওরা তাদের তথ্য সরবরাহ করে। আরেক দল তাদের বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করে। সেজন্য খারাপ চিত্র দিলে তারা খুব খুশি হয়।

ড. মোমেন বলেন, আমাদের অনেক বাঙালি আমেরিকান অ্যাম্বাসিতে চাকরি করে। যারা প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেন। ওনারা খালি খোঁজেন কোথায় আমাদের দোষ। দুনিয়ার সব দেশে অসুবিধা হয়, কিন্তু দেখবেন দোষ পড়ে শুধু বাংলাদেশের।