ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

মাছ শুধু পাতে নয়, নানা রকম পণ্য তৈরির নিয়ে গবেষণা করতে হবে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টির জোর

মৎস্যসম্পদে স্বয়ং-সম্পূর্ণর পথে বাংলাদেশ। নতুন নতুন উদ্যোগে আগামীর মৎস্য ভান্ডার পরিপূর্ণ হয়ে ওঠবে। লক্ষ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি গতিশীল করা। তাছাড়া এখন মাছ শুধু পাতে নয়, মাছের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত এবং এ থেকে কি কি পণ্য তৈরি করা যায়, তা নিয়ে

গবেষণায় হাত লাগানোর তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

ঢাকার মৎস্য ভবনে শুক্রবারের এই আয়োজনে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় জলজ সম্পদ থেকে বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে চিপস, ফিস বল বা

অন্যান্য খাবারও তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশে মাছের অনেক অপচয়ও হয়ে থাকে। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের যত্নশীল হতে হবে।

বিজ্ঞানের পথ ধরে আজকের পৃথিবী দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন নানা বিষয়ে উদারহণ রেখে চলেছে। সে ক্ষেত্রে মাছের বহুবিধ ব্যবহারে মানুষকে আকৃষ্ট করতে হবে। সম্ভবনাময় মৎস্যখাতকে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোন বিকল্প নেই।

মন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ স্বাভাবিকভাবে মাছ খেতে চান না ঠিকই, কিন্তু রেঁস্তোরায় মাছ দিয়ে নানা পদের তৈরি খাবার লুফে নেন। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এক প্রক্রিয়ায় মাছ না খেলে মানুষকে অন্য প্রক্রিয়ায় খাওয়াতে হবে। আমরা চাই মাছের বহুমুখী পণ্যের বিকাশ।

এ ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে মাছ থেকে নানা পদের পণ্য উৎপাদনে শিল্পস্থাপনে বেসরকারীখাতকে এগিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমদানি না করে মাছের নানা

পদের খাদ্য স্থানীয়ভাবেই তৈরি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক উদ্যাগ।
তিনি বলেন, যদি এমন শিল্প স্থাপনে উদ্যোগক্তারা এগিয়ে আসেন, তাহলে সরকারের তরফেও সকল সহযোগিতা দেওয়া হবে। বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কোন

অংশে কম নয়। সমুদ্র অঞ্চল, বদ্ধ জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়সহ মৎস্য চাষ উপযোগী সকল ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, কেবল যে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন তা নয়। বাংলাদেশের উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কোন ভালো উদ্যোগকে

স্বাগত জানাতে দু’বাহু বাড়িয়ে রয়েছেন। দেশের মানুষের কল্যাণে এমন চিন্তাশীল প্রধানমন্ত্রী পাওয়া একটি দেশের ভাগ্যের বিষয় এবং এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মৎস্যসম্পকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডার পরিপূর্ণতা লাভ করবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে নেওয়া শেখ হাসিনার উদ্যোগ অনুকরণীয়। যত রকমের

সহযোগিতায় এখাত এগিয়ে যেতে পারে তার সকল ব্যবস্থা করেছেন। মৎস্য আহরণ করে জীবীকা নির্বাহ করেন, সেই মৎস্যজীবী মানুষের কল্যাণে সকল সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

মৎস্যজীবী নয়, এমন মানুষের খাদ্যের কার্ড বাতিল করে, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের কার্ড দেওয়া এবং তাদেরকে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্যখাত একটা বিশাল ভুমিকা পালন করতে পারে। এক্ষেত্রে মৎস্যসম্পদ রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

মৎস্যখাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। আর এখাতের কতিপয় অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছ পা হবে না।

মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করা, উচ্ছ্বসিত করা ও কাজে সম্পৃক্ত করা, এ খাতের প্রতি জনগণকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করে গতিশীল

করার জন্য প্রতি বছর মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়। করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ খাতের একটি ক্ষেত্র হতে পারে। এ কারণে এ বছর মৎস্য সপ্তাহে বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য হিসেবে রাখা কথা উল্লেখ করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ ২০৪১ সালের মধ্যে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার প্রত্যয়ের কথা জানান।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বাস্তবায়িত কার্যক্রম তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) আজিজুল

হক। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদার, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ

অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ’র সদস্য সচিব মোঃ আহসানুজ্জমান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমানউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রক ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাছ শুধু পাতে নয়, নানা রকম পণ্য তৈরির নিয়ে গবেষণা করতে হবে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টির জোর

মৎস্যসম্পদে স্বয়ং-সম্পূর্ণর পথে বাংলাদেশ। নতুন নতুন উদ্যোগে আগামীর মৎস্য ভান্ডার পরিপূর্ণ হয়ে ওঠবে। লক্ষ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি গতিশীল করা। তাছাড়া এখন মাছ শুধু পাতে নয়, মাছের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত এবং এ থেকে কি কি পণ্য তৈরি করা যায়, তা নিয়ে

গবেষণায় হাত লাগানোর তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

ঢাকার মৎস্য ভবনে শুক্রবারের এই আয়োজনে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় জলজ সম্পদ থেকে বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে চিপস, ফিস বল বা

অন্যান্য খাবারও তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশে মাছের অনেক অপচয়ও হয়ে থাকে। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের যত্নশীল হতে হবে।

বিজ্ঞানের পথ ধরে আজকের পৃথিবী দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন নানা বিষয়ে উদারহণ রেখে চলেছে। সে ক্ষেত্রে মাছের বহুবিধ ব্যবহারে মানুষকে আকৃষ্ট করতে হবে। সম্ভবনাময় মৎস্যখাতকে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোন বিকল্প নেই।

মন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ স্বাভাবিকভাবে মাছ খেতে চান না ঠিকই, কিন্তু রেঁস্তোরায় মাছ দিয়ে নানা পদের তৈরি খাবার লুফে নেন। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এক প্রক্রিয়ায় মাছ না খেলে মানুষকে অন্য প্রক্রিয়ায় খাওয়াতে হবে। আমরা চাই মাছের বহুমুখী পণ্যের বিকাশ।

এ ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে মাছ থেকে নানা পদের পণ্য উৎপাদনে শিল্পস্থাপনে বেসরকারীখাতকে এগিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমদানি না করে মাছের নানা

পদের খাদ্য স্থানীয়ভাবেই তৈরি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক উদ্যাগ।
তিনি বলেন, যদি এমন শিল্প স্থাপনে উদ্যোগক্তারা এগিয়ে আসেন, তাহলে সরকারের তরফেও সকল সহযোগিতা দেওয়া হবে। বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কোন

অংশে কম নয়। সমুদ্র অঞ্চল, বদ্ধ জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়সহ মৎস্য চাষ উপযোগী সকল ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, কেবল যে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন তা নয়। বাংলাদেশের উন্নয়নের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কোন ভালো উদ্যোগকে

স্বাগত জানাতে দু’বাহু বাড়িয়ে রয়েছেন। দেশের মানুষের কল্যাণে এমন চিন্তাশীল প্রধানমন্ত্রী পাওয়া একটি দেশের ভাগ্যের বিষয় এবং এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মৎস্যসম্পকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডার পরিপূর্ণতা লাভ করবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে নেওয়া শেখ হাসিনার উদ্যোগ অনুকরণীয়। যত রকমের

সহযোগিতায় এখাত এগিয়ে যেতে পারে তার সকল ব্যবস্থা করেছেন। মৎস্য আহরণ করে জীবীকা নির্বাহ করেন, সেই মৎস্যজীবী মানুষের কল্যাণে সকল সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

মৎস্যজীবী নয়, এমন মানুষের খাদ্যের কার্ড বাতিল করে, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের কার্ড দেওয়া এবং তাদেরকে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্যখাত একটা বিশাল ভুমিকা পালন করতে পারে। এক্ষেত্রে মৎস্যসম্পদ রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

মৎস্যখাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। আর এখাতের কতিপয় অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছ পা হবে না।

মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করা, উচ্ছ্বসিত করা ও কাজে সম্পৃক্ত করা, এ খাতের প্রতি জনগণকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করে গতিশীল

করার জন্য প্রতি বছর মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়। করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ খাতের একটি ক্ষেত্র হতে পারে। এ কারণে এ বছর মৎস্য সপ্তাহে বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য হিসেবে রাখা কথা উল্লেখ করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ ২০৪১ সালের মধ্যে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার প্রত্যয়ের কথা জানান।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বাস্তবায়িত কার্যক্রম তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) আজিজুল

হক। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদার, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ

অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ’র সদস্য সচিব মোঃ আহসানুজ্জমান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমানউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রক ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।