ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়পুকুরিয়া কয়লার পাহাড়, আগুনে নষ্ট হচ্ছে বিপুল মজুদ সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরেছে টাঙ্গাইলের মাঠ, স্বপ্ন দেখছেন কৃষক ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, শপথ নেবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার ভোলার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ: কৃষকের স্বপ্নে অর্থনৈতিক মুক্তির সম্ভাবনা প্রান্তিক নারীদের আয়বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিতে হবে: বিএনপিএস নদী ভাঙনের হুমকিতে মধ্যনগরের মহিষখলা জাতীয় স্মৃতিসৌধ ট্রাম্প-পুতিনের ফোন আলোচনা ইরান যুদ্ধ ও তেল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্ত দেড় কোটি মানুষ ছাড়ছে ঢাকা, ঈদে জনস্রোত সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ

সীমান্ত সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন অসম পুলিশের ৬ সদস্য

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: টুইটার

“ মঙ্গলবার  অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  লায়লাপুর কান্ডে আহতদের খোঁজখবর নিতে শিলচর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ছুটে যান”

ভারতের উত্তর-পূর্বের অসম-মিজোরাম সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘ দিনই চলে আসছিলো। সোমবার গড়ায় রক্তক্ষযী সংঘর্ষে। দুই রাজ্যের সংঘর্ষে অসমের ৬ পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহতর সংখ্যা অন্তত ৬০ জন। তারা সবাই অসমীয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আন্তঃরাজ্য সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তিতে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের দু’দিনের মাথায় ঘটনা।

আহত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সদস্য

আহতদের তালিকায় রয়েছেন, অসমের কাছাড় জেলার পুলিশ সুপার নিম্বলকর বৈভব চন্দ্রকান্ত এবং জেলার ধোলাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

ঘটনার পর  ‘সোমবার সন্ধ্যায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা টুইট করেছেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আসাম-মিজোরাম সীমান্তে আমাদের রাজ্যের সাংবিধানিক সীমানা রক্ষায় ৬ জন সাহসী সেনা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’

জানা গিয়েছে, সোমবার লায়লাপুর সীমানার কাছে মিজোরামের দিক থেকে সীমানা পেরিয়ে অসমের দিকে আসছিলেন অসমেরই সরকারি আধিকারিকরা। তাদের দিকে হঠাৎই ইট, পাথর ছুড়তে শুরু করে স্থানীয় জনতা। সঙ্গে সঙ্গে সীমানায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে অসম

সরকার। টুইট করেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

একদিকে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা লেখেন, অমিত শাহজি, দয়া করে বিষয়টি দেখবেন। এসব এখনই বন্ধ করা দরকার।

অন্যদিকে এভাবে সরকার চালাবেন কী করে এই প্রশ্ন তুলে অমিত শাহ-কে ট্যাগ করে একটি টুইট করেন হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। পাশাপাশি তারা দু’জনেই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

এর আগে জুন মাসেও সীমানা নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিল দুই রাজ্য। সে বারেও তৈরি হয়েছিল উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

স্থানীয় সংবাদমের খবরে বলা হয়েছে,  সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ লায়লাপুর এলাকা থেকে  মিজোদের উচ্ছেদ করতে গেলেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।   একজন সাধারণ নাগরিকও প্রাণ

হারিয়েছেন।  আহত হয়েছেন প্রায় ৭০ জন। কাছাড়ের পুলিশ সুপার ভৈভব নিম্বালকর চন্দ্রশেখরের পেটে গুলি লেগেছে। এছাড়া ধলাই থানার ওসি সাহাব উদ্দিন লস্কর আহত হয়েছেন।

৪৫ জন আহত পুলিশ কর্মীকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানা গেছে। কাছাড়ের জেলাশাসক কীর্তি জল্লির

গাড়িতেও দুষ্কৃতীরা গুলি করেছে এবং গাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে। অসম মিজোরাম সীমান্তের লায়লাপুর পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত মিজোরামের দুষ্কৃতিরা প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সীমান্ত সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন অসম পুলিশের ৬ সদস্য

আপডেট সময় : ১১:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: টুইটার

“ মঙ্গলবার  অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  লায়লাপুর কান্ডে আহতদের খোঁজখবর নিতে শিলচর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ছুটে যান”

ভারতের উত্তর-পূর্বের অসম-মিজোরাম সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘ দিনই চলে আসছিলো। সোমবার গড়ায় রক্তক্ষযী সংঘর্ষে। দুই রাজ্যের সংঘর্ষে অসমের ৬ পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। সীমান্তবর্তী শহর বৈরেংতে এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহতর সংখ্যা অন্তত ৬০ জন। তারা সবাই অসমীয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আন্তঃরাজ্য সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তিতে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের দু’দিনের মাথায় ঘটনা।

আহত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সদস্য

আহতদের তালিকায় রয়েছেন, অসমের কাছাড় জেলার পুলিশ সুপার নিম্বলকর বৈভব চন্দ্রকান্ত এবং জেলার ধোলাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

ঘটনার পর  ‘সোমবার সন্ধ্যায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা টুইট করেছেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আসাম-মিজোরাম সীমান্তে আমাদের রাজ্যের সাংবিধানিক সীমানা রক্ষায় ৬ জন সাহসী সেনা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।’

জানা গিয়েছে, সোমবার লায়লাপুর সীমানার কাছে মিজোরামের দিক থেকে সীমানা পেরিয়ে অসমের দিকে আসছিলেন অসমেরই সরকারি আধিকারিকরা। তাদের দিকে হঠাৎই ইট, পাথর ছুড়তে শুরু করে স্থানীয় জনতা। সঙ্গে সঙ্গে সীমানায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে অসম

সরকার। টুইট করেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

একদিকে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা লেখেন, অমিত শাহজি, দয়া করে বিষয়টি দেখবেন। এসব এখনই বন্ধ করা দরকার।

অন্যদিকে এভাবে সরকার চালাবেন কী করে এই প্রশ্ন তুলে অমিত শাহ-কে ট্যাগ করে একটি টুইট করেন হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। পাশাপাশি তারা দু’জনেই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

এর আগে জুন মাসেও সীমানা নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিল দুই রাজ্য। সে বারেও তৈরি হয়েছিল উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

স্থানীয় সংবাদমের খবরে বলা হয়েছে,  সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ লায়লাপুর এলাকা থেকে  মিজোদের উচ্ছেদ করতে গেলেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।   একজন সাধারণ নাগরিকও প্রাণ

হারিয়েছেন।  আহত হয়েছেন প্রায় ৭০ জন। কাছাড়ের পুলিশ সুপার ভৈভব নিম্বালকর চন্দ্রশেখরের পেটে গুলি লেগেছে। এছাড়া ধলাই থানার ওসি সাহাব উদ্দিন লস্কর আহত হয়েছেন।

৪৫ জন আহত পুলিশ কর্মীকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানা গেছে। কাছাড়ের জেলাশাসক কীর্তি জল্লির

গাড়িতেও দুষ্কৃতীরা গুলি করেছে এবং গাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে। অসম মিজোরাম সীমান্তের লায়লাপুর পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত মিজোরামের দুষ্কৃতিরা প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।