ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২২ বার পড়া হয়েছে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে তারা মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। পরে তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক সামরিক কর্মকর্তা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর আলশামস পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, গবেষক সংস্কৃতিকর্মীদের হত্যা করে বাঙালি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য পঙ্গু করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

এর দুই দিন পর, ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। জাতির ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক এই দিনে প্রতিবছর গভীর শোক, বেদনা শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে দেশবাসী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক দিন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষ সময়ে যখন সারাদেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই বিশ্বাসঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ০১:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে তারা মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। পরে তারা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত অন্যান্য উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক সামরিক কর্মকর্তা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর আলশামস পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, গবেষক সংস্কৃতিকর্মীদের হত্যা করে বাঙালি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য পঙ্গু করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

এর দুই দিন পর, ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। জাতির ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক এই দিনে প্রতিবছর গভীর শোক, বেদনা শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে দেশবাসী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক দিন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষ সময়ে যখন সারাদেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই বিশ্বাসঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।