ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ ইউনিট সরবরাহ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ১,৬০৮ স্কুলে যাওয়ার বাধা দূর হলো তুবা-অয়ন মিত্রের থানা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক উদ্যোগের নজির বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ক্র্যাবের কফির উৎপাদন বাড়লেও চাষ ও বাজারজাতকরণে সংকট শাশ্বতী গুহ’র কবিতা ‘আজও আমার কিছু বলার ছিল’ দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের

রামপাল কয়লার ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

রামপাল কয়লার ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) পরিচালিত রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা দেশের মোট উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি।

রোববার (৩ মে) দুপুরে বিআইএফপিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদার সময় প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী নকশা ও টিমের নিরলস প্রচেষ্টার প্রতিফলন। এটি দুই দেশের সফল সহযোগিতার একটি অনন্য উদাহরণ।

বর্তমানে কেন্দ্রটি এনটিপিসি-এর বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও এনটিপিসি উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা দিচ্ছে, তবে দৈনন্দিন পরিচালনায় স্থানীয় প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাট জেলার রামপাল-এ পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। দুইটি ইউনিটে বিভক্ত কেন্দ্রটির প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট এবং এতে উন্নত সুপারক্রিটিকাল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং এনটিপিসি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়া এই কেন্দ্রটি ২০২৪ সালের শেষে প্রায় শতভাগ ভৌত অগ্রগতি অর্জন করে।

তবে সুন্দরবন-এর নিকটবর্তী হওয়ায় প্রকল্পটি পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি কমানো হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রামপাল কয়লার ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) পরিচালিত রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যা দেশের মোট উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি।

রোববার (৩ মে) দুপুরে বিআইএফপিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদার সময় প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী নকশা ও টিমের নিরলস প্রচেষ্টার প্রতিফলন। এটি দুই দেশের সফল সহযোগিতার একটি অনন্য উদাহরণ।

বর্তমানে কেন্দ্রটি এনটিপিসি-এর বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও এনটিপিসি উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা দিচ্ছে, তবে দৈনন্দিন পরিচালনায় স্থানীয় প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাট জেলার রামপাল-এ পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। দুইটি ইউনিটে বিভক্ত কেন্দ্রটির প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট এবং এতে উন্নত সুপারক্রিটিকাল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং এনটিপিসি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়া এই কেন্দ্রটি ২০২৪ সালের শেষে প্রায় শতভাগ ভৌত অগ্রগতি অর্জন করে।

তবে সুন্দরবন-এর নিকটবর্তী হওয়ায় প্রকল্পটি পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি কমানো হচ্ছে।