ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক  এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’

রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র এনেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছবি: সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আমাদের কিছু বুদ্ধিজীবী রয়েছে, যারা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। জনগণ যাদের আন্দোলনের মাধ্যমে বিতাড়িত করেছে তাদেরকে তারা খুঁজে বের করে গণতন্ত্রের কথা বলার জন্য। তারা (বুদ্ধিজীবীরা) এদের পক্ষে কথা বলে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ রক্ত দিয়ে দেশে গণতন্ত্র এনেছে। এরপরেও আমাদের হাতে গণতন্ত্র সুরক্ষিত নয় এমনটা শুনতে হচ্ছে। যারা গণতন্ত্রকে কখনও প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়নি, তারাই এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের।

শেখ হাসিনা বলেন, অবাক লাগে যখন বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি। যাদের সৃষ্টি হয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত থেকে, কারচুপি করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। তাদের মুখে আর যা-ই হোক, গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।

তাদের কিছু প্রভু আছে। তারাও তাদের সঙ্গে সুর মেলায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র নাকি প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। জিয়াউর রহমান জাতির পিতাকে হত্যা করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করেছিল, এরশাদ করেছিল, আমরা যখন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি সেসব লোক বা সেসব দেশের তখন সেই চেতনা দেখিনি। আজকে নির্বাচন সুষ্ঠু চায়।

কত পরিমাণ অর্থসম্পদ তারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে যে সেই টাকা এখন বিদেশে বসে খরচ করে। এখানে আবার অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। আর গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কয়েকটি দেশ আছে, তারাও নাকি শুধু গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায় এখানে পদলেহনকারী সরকার নিয়ে আসতে। এরা যাদের বন্ধু তাদের আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজকে ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে? সেখানকার মেয়েরা, বাচ্চারা আজ কী কষ্ট পাচ্ছে? এমনই বন্ধুত্ব যে, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ। সেখানকার নারী-শিশুরা মানবেতর জীবন-যাপন করে। এটা হলো বাস্তবতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র এনেছে আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ১০:০০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

আমাদের কিছু বুদ্ধিজীবী রয়েছে, যারা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। জনগণ যাদের আন্দোলনের মাধ্যমে বিতাড়িত করেছে তাদেরকে তারা খুঁজে বের করে গণতন্ত্রের কথা বলার জন্য। তারা (বুদ্ধিজীবীরা) এদের পক্ষে কথা বলে।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ রক্ত দিয়ে দেশে গণতন্ত্র এনেছে। এরপরেও আমাদের হাতে গণতন্ত্র সুরক্ষিত নয় এমনটা শুনতে হচ্ছে। যারা গণতন্ত্রকে কখনও প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়নি, তারাই এখন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের।

শেখ হাসিনা বলেন, অবাক লাগে যখন বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনি। যাদের সৃষ্টি হয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাত থেকে, কারচুপি করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। তাদের মুখে আর যা-ই হোক, গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।

তাদের কিছু প্রভু আছে। তারাও তাদের সঙ্গে সুর মেলায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র নাকি প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। জিয়াউর রহমান জাতির পিতাকে হত্যা করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করেছিল, এরশাদ করেছিল, আমরা যখন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি সেসব লোক বা সেসব দেশের তখন সেই চেতনা দেখিনি। আজকে নির্বাচন সুষ্ঠু চায়।

কত পরিমাণ অর্থসম্পদ তারা লুটপাট করে নিয়ে গেছে যে সেই টাকা এখন বিদেশে বসে খরচ করে। এখানে আবার অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। আর গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কয়েকটি দেশ আছে, তারাও নাকি শুধু গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায় এখানে পদলেহনকারী সরকার নিয়ে আসতে। এরা যাদের বন্ধু তাদের আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজকে ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে? সেখানকার মেয়েরা, বাচ্চারা আজ কী কষ্ট পাচ্ছে? এমনই বন্ধুত্ব যে, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ। সেখানকার নারী-শিশুরা মানবেতর জীবন-যাপন করে। এটা হলো বাস্তবতা।