ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রমিক বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ ভাঙচুর, ১৫০ কারখানায় ছুটি ফের ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা শ্রমিক অসন্তোষে আজও মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে আলোকিত হবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের স্বীকারোক্তি দিয়ে পোস্ট, আটক যুবক ৩ নভেম্বর প্রথম সোলার  এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক অসন্তোষ পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে ৩০০ পোশাক কারখানায় ছুটি সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতার ছোবল আমন চাষ হয়নি সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে শেষ চেষ্টাও ব্যর্থ, এপস্টেইন-কাণ্ডে মামলায় বড় ধাক্কা ট্রাম্পের লালন বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বের সেতু ভারতীয় হাইকমিশনার

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১২ বার পড়া হয়েছে

ভোরতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন। ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁর উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে নয়াদিল্লিতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পৌঁছায়। তবে একই দিনে মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ–র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি থাকায় মোদির ঢাকা সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ। এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ম্যাক্রোঁর ভারত সফর পূর্বনির্ধারিত থাকায় সূচি পুনর্বিন্যাস কঠিন বলেও কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত।

তবে মোদি অনুপস্থিত থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি সম্ভবত উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় যোগ দিতে পারেন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি বাংলাদেশে নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী হলেও তা তড়িঘড়ি করতে চায় না।

আরেকটি বিবেচ্য বিষয় হলো, অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে একই মঞ্চে দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব কেমন হবে, সেটিও দিল্লির কৌশলগত ভাবনায় রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)–ভুক্ত অধিকাংশ দেশের নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর। পাশাপাশি চীন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও তুরস্কসহ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদেরও আমন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে ফোনালাপে মোদি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শপথ ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতিতে তাই প্রতীকী উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি উভয়ই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুণ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ১১:৩২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন। ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁর উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে নয়াদিল্লিতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পৌঁছায়। তবে একই দিনে মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ–র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি থাকায় মোদির ঢাকা সফরের সম্ভাবনা ক্ষীণ। এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ম্যাক্রোঁর ভারত সফর পূর্বনির্ধারিত থাকায় সূচি পুনর্বিন্যাস কঠিন বলেও কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত।

তবে মোদি অনুপস্থিত থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি সম্ভবত উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় যোগ দিতে পারেন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি বাংলাদেশে নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী হলেও তা তড়িঘড়ি করতে চায় না।

আরেকটি বিবেচ্য বিষয় হলো, অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে একই মঞ্চে দুই দেশের প্রতিনিধিত্ব কেমন হবে, সেটিও দিল্লির কৌশলগত ভাবনায় রয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)–ভুক্ত অধিকাংশ দেশের নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর। পাশাপাশি চীন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও তুরস্কসহ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদেরও আমন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে ফোনালাপে মোদি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শপথ ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতিতে তাই প্রতীকী উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি উভয়ই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।