মাথাটা বালিশে রেখে দুটো পা এলিয়ে দিলে
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪ ২১০ বার পড়া হয়েছে
বন্ধু শর্মিষ্ঠার রানিবালা সিরিজ নিয়ে অনেক দিনের চাষাবাদ চলছে। তার লেখার শুরু মনে হতে পারে মোনতা! কিন্তু যখন গভীরে যাই, তখন মনে হয় এই বুঝি হয়ে গেলো। শর্মিষ্ঠার লেখা পড়া চাই শান্ত মতিষ্কে-কিছু সময় নিয়ে। অবসরে হলে আরও ভালো। একান্ত যদি না-ই হয়, তাহলে একুটু ধীরে ধীরে। তবে, একটা কথা বলতেই হয়, তার লেখায় একটা মুন্সিয়ানা আছে। সমাজ-সংসারের পরতে পরতে পোড় খাওয়া মানুষের জীবন চিত্র আঁকার দজ্ঞতার প্রমাণ তো দিয়েই চলেছে, তা আর নতুন কিসে। কিন্তু মাঝে মাঝে সেও থেমে যায় মনের অজান্তে-কিন্তু না এটা এক্কেবারেই ভুল ধারণা। শর্মিষ্ঠা থামবে না—
শর্মিষ্ঠার রানিবালা সিরিজ
তারপর আলো নিভিয়ে চুপচাপ মাথাটা বালিশে রেখে দুটো পা এলিয়ে দিলে।
গ্রীষ্ম হচ্ছে একধরণের বিশ্বাসের ভাইরাস ভাব। উঃ আঃ আর পারছি না, এসব না বলে ভাবতে হবে কালের নিয়মে বাঁধা সত্য আমার জন্য, আমার হাড় জ্বালাতে প্রমিথিউস হয়ে স্বর্গ থেকে এক থালা আগুন নিয়ে এসেছে।
সকালের টকটকে আগুনঝরা সূর্য থেকে যার উৎপত্তি,সে আমার শেষ সম্বল।
এমন দিন দেখলেই মাথাটা ঝিমঝিম করে। কাক যেমন গাছপালার নকশা করা ছায়ায় ঘাড় নিচু করে। মানুষও এই দেখে মাথা নত করে প্রখরতার কাছে।
ভাবের ঘরে চুরি নয়। বরং চুরির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির ঘরে ভাবের বিন্দু বিন্দু ঘাম ।
ভাব গ্রীষ্ম
গ্রীষ্ম ভাব রানিবালা সেন! বিছানায় তোমার বিছিয়ে রাখা আত্মা খাই খাই পৃথিবীর সমস্ত চাওয়াকে দমাতে কার্যত দৃশ্যমান এক মহামায়া নারী-শরীরের মায়া জমানো ঘট।
কিচ্ছু করার নেই আমার। চেয়ে চেয়ে দেখছি, অনেক আমি! মৃত্তিকা ভান্ডের গভীরে নেমে যাচ্ছি মায়া জড়ানো গ্রীষ্মকালীন বিদ্যার
সেন-দেবীর মন্দিরে।























